ঢাকারবিবার , ৫ মে ২০২৪
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

আমাদের ভারত ভ্রমণ – তৌফিক সুলতান 

তৌফিক সুলতান
মে ৫, ২০২৪ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সাইক কলেজ অব মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (SCMST) এর মেডিসিন অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়এর অধীনে বিএসসি ফিজিওথেরাপিস্ট কোর্সএ মিরপুর ক্যাম্পাসের দুই বন্ধু ডাঃ নাসিম কবির ও ডাঃ নাসির উদ্দীন এবং আমি তৌফিক সুলতান ঢাকা মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট এর শিক্ষার্থী। ভারত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে মিরপুর থেকে রউনা দেই রাত ৮:৩০ মিনিটে উদ্দেশ্য কমলাপুর সেখান থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেস করে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের টিকেট পূর্বেই কেটে রেখেছিলাম।আমার ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশনে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেছিলাম ট্রেনের জন্য। আমাদের ট্রেন ছিল ২৩:৪৫ মিনিটে আমরা সেখানে কিছুক্ষণ ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করলাম। ট্রেন কিছুটা দেরি করে আসলো অতঃপর আমরা সবাই যার যার সিটে বসলাম। রাতের জার্নিটা ছিল ঠান্ডা শীতল আবহাওয়া হয় ঝক ঝকাঝক শব্দ এগিয়ে যাচ্ছিল আমাদের ট্রেন। হালকা আলোতে বাহিরে দৃশ্য উপভোগ করছিলাম ট্রেনের জানালা দিয়ে।আমরা গন্তব্যে পৌঁছায় সকাল ৪:৪৭ মিনিটে সেখান থেকে ব্যানে করে দর্শনা পৌঁছায়।সেখানে আমরা সকল ফর্মালিটি শেষ করি। আমরা অনলাইনে টেক্স টোকেন কেটে রেখেছিলাম তাই তেমন কোনো জামেলা পোহাতে হয়নি।কাস্টম অফিস ছয়টার পরে খুলবে। তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। কাস্টমের কাজ সম্পন্ন করে চেকিং এর মাধ্যমে আমাদেরকে ইন্ডিয়াতে প্রবেশ করানো হয়।সেখানে আবার চেকিং করা হয় তারপর আমরা অবশেষে গেদে কাস্টমের কাজ শেষ করে ট্রেনে ওঠে ৩০ রূপি দিয়ে আমরা শিয়ালদা তে যাই।শিয়ালদা থেকে আমরা চলে যাই দিঘাতে। সম্পূর্ণ ট্রেন জার্নিটা অনেক মজার ছিল খুবই উপভোগ করি।দিঘাতে আমরা সমুদ্র উপভোগ করি। আহ্!কি চমৎকার দৃশ্য নদীর পানি গুলো যেন আমার শিষ্য। প্রথমে ওল্ড দীঘা তারপর নিউ দীঘা বিকেলে সমুদ্র পাড়ে হাঁটা স্টারফিশ, সাগরের বুকে ফুটে ওঠা নানা দৃশ্য দেখি।আমরা সেখানে অনেক দিন ছিলাম তারপর আমরা কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরি যেমন ঐতিহাসিক আলিপুর মিউজিয়াম সেখানে সংরক্ষিত আছে নানান ইতিহাস বাংলার ইতিহাস। মিউজিয়ামে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ইতিহাস সংরক্ষিত আছে।ফাঁসির মঞ্চে গিয়ে আমাদের মনখারাপ হয়ে পরে কতো নির্মম ইতিহাসের সাক্ষী দেয় এই স্থানটি।
তারপর কাজি নজরুল কক্ষে প্রবেশ করে কাজ নজরুল ইসলামের সাথে আমরা সবাই কিছু ছবি উঠায়। তিনি সেখানে বসে লিখছিলেন..

গাহি সাম্যের গান-
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান্‌ ।
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।–
‘পূজারী দুয়ার খোলো,
ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পূজার সময় হ’ল!’
স্বপন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়,
দেবতার বরে আজ রাজা-টাজা হ’য়ে যাবে নিশ্চয়!
জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
ডাকিল পান’, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনি ক’ সাত দিন!’
সহসা বন্ধ হ’ল মন্দির, ভুখারী ফিরিয়া চলে,
তিমির রাত্রি, পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে!
ভুখারী ফুকারি’ কয়,
‘ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়!’
মসজিদে কাল শির্‌নী আছিল,-অঢেল গোস্ত–র”টি
বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটি কুটি,
এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে আজারির চিন্‌
বলে, ‘ বাবা, আমি ভূখা-ফাকা আমি আজ নিয়ে সাত দিন!’
তেরিয়া হইয়া হাঁকিল মোল্লা-‘ভ্যালা হ’ল দেখি লেঠা,
ভূখা আছ মর গো-ভাগাড়ে গিয়ে! নামাজ পড়িস বেটা?’
ভূখারী কহিল, ‘না বাবা!’ মোল্লা হাঁকিল-‘তা হলে শালা
সোজা পথ দেখ!’ গোস–র”টি নিয়া মসজিদে দিল তালা!
ভুখারী ফিরিয়া চলে,
চলিতে চলিতে বলে-
‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা ব’লে বন্ধ করনি প্রভু।

তব মস্‌জিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী।
মোল্লা-পুর”ত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী!’
কোথা চেঙ্গিস্‌, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?
ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-দ্বার!
খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?
সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা!
হায় রে ভজনালয়,
তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয়!
মানুষেরে ঘৃণা করি’
ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি’ মরি’
ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ’ নাও জোর ক’রে কেড়ে,
যাহারা আনিল গ্রন্থ’-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে,
পূজিছে গ্রন্থ’ ভন্ডের দল! মূর্খরা সব শোনো,
মানুষ এনেছে গ্রন্থ’;-গ্রন্থ’ আনেনি মানুষ কোনো।

আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মাদ
কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
আমাদেরি এঁরা পিতা-পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী ক’রে প্রতি ধমনীতে রাজে!
আমরা তাঁদেরি সন্তান, জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ,
কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ।
হেসো না বন্ধু! আমার আমি সে কত অতল অসীম,
আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে
আমাতে মহামহিম।
হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদী ঈসা,
কে জানে কাহার অন- ও আদি, কে পায় কাহার দিশা?
কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি?
হয়ত উহারই বুকে ভগবান্‌ জাগিছেন দিবা-রাতি!
অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান্‌ উ”চ নহে,
আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ-দহে,
তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ’ ভজনালয়
ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয়!
হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
জন্মিছে কেহ- জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে!
যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
আজিও বিশ্ব দেখনি,-হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে!
ও কে? চন্ডাল? চম্‌কাও কেন? নহে ও ঘৃণ্য জীব!
ওই হ’তে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
আজ চন্ডাল, কাল হ’তে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী-পাঠ।
রাখাল বলিয়া কারে করো হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে!
হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে!
চাষা ব’লে কর ঘৃণা!
দে’খো চাষা-রূপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না!
যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারাও ধরিল হাল,
তারাই আনিল অমর বাণী-যা আছে র’বে চিরকাল।
দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি!
তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে,
দ্বারী দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলে।
সে মার রহিল জমা-
কে জানে তোমায় লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষমা!
বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ, দু’চোখে স্বার্থ-ঠুলি,
নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হ’য়েছে কুলি।
মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা-মথিত সুধা,
তাই লুটে তুমি খাবে পশু? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা?
তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোন্‌খানে!
তোমারি কামনা-রাণী
যুগে যুগে পশু, ফেলেছে তোমায় মৃত্যু-বিবরে টানি’।

গাহি সাম্যের গান-
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান
যেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্‌লিম-ক্রীশ্চান।
গাহি সাম্যের গান!
কে তুমি?- পার্সী? জৈন? ইহুদী? সাঁওতাল, ভীল, গারো?
কন্‌ফুসিয়াস্‌? চার্বআখ চেলা? ব’লে যাও, বলো আরো!
বন্ধু, যা-খুশি হও,
পেটে পিঠে কাঁধে মগজে যা-খুশি পুঁথি ও কেতাব বও,
কোরান-পুরাণ-বেদ-বেদান্ত-বাইবেল-ত্রিপিটক-
জেন্দাবেস্তা-গ্রন্থসাহেব প’ড়ে যাও, য্ত সখ-
কিন্তু, কেন এ পন্ডশ্রম, মগজে হানিছ শূল?
দোকানে কেন এ দর কষাকষি? -পথে ফুটে তাজা ফুল!
তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান,
সকল শাস্র খুঁজে পাবে সখা, খুলে দেখ নিজ প্রাণ!
তোমাতে রয়েছে সকল ধর্ম, সকল যুগাবতার,

তোমার হৃষয় বিশ্ব-দেউল সকল দেবতার।
কেন খুঁজে ফের’ দেবতা ঠাকুর মৃত পুঁথি -কঙ্কালে?
হাসিছেন তিনি অমৃত-হিয়ার নিভৃত অন্তরালে!
বন্ধু, বলিনি ঝুট,
এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল রাজমুকুট।
এই হৃদ্য়ই সে নীলাচল, কাশী, মথুরা, বৃন্দাবন,
বুদ্ধ-গয়া এ, জেরুজালেম্‌ এ, মদিনা, কাবা-ভবন,

মস্‌জিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়,
এইখানে ব’সে ঈসা মুসা পেল সত্যের পরিচয়।
এই রণ-ভূমে বাঁশীর কিশোর গাহিলেন মহা-গীতা,
এই মাঠে হ’ল মেষের রাখাল নবীরা খোদার মিতা।
এই হৃদয়ের ধ্যান-গুহা-মাঝে বসিয়া শাক্যমুনি
ত্যজিল রাজ্য মানবের মহা-বেদনার ডাক শুনি’।
এই কন্দরে আরব-দুলাল শুনিতেন আহবান,
এইখানে বসি’ গাহিলেন তিনি কোরানের সাম-গান!
মিথ্যা শুনিনি ভাই,
এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই।

সেখান থেকে আমরা কিছু ছবি ও ভিডিও ধারণ করে নিয়ে আসি।
তাছাড়া আমার কলকাতা আরও বিভিন্ন স্থানে যাই যেমন :
সায়্যন্স সিটি পার্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নানা বিষয় দেখি এই সায়্যন্স সিটিতে যা আমাদের অনেক ভালো লাগছে ।শক্তির পরিবর্তন পানি শক্তি কে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর। বিশেষ করে আয়নঘর 3D শো।

ভিক্টোরিয়া মেমরিয়াল : রানী ভিক্টোরিয়ার স্মরণে তাজমহলের ধাঁচে গড়ে তোলা সাদা মার্বেলের এক অনন্য ইমারত যার কারুকার্য যে কোনো পর্যটকদের চিন্তা শক্তি কে আবার নতুন ভাবে জাগ্রত করে।

হাওড়া ব্রিজ : “রবীন্দ্র সেতু” নামে পরিচিত কলকাতা বাসীদের কাছে প্রসিদ্ধ চমৎকার শৈল্পিক কারুকার্যময় একটি ব্রিজ। হুগলি নদীর উপর অবস্থিত কলকাতা ও হাওড়া শহরের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী সেতুগুলির মধ্যে অন্যতম।
রবীন্দ্র ভারতী মিউজিয়াম : গিরিশ পার্কের কাছে চিত্তরঞ্জন এভিন্যিউ এ অবস্থিত বিখ্যাত রবীন্দ্র ভারতী মিউজিয়্যাম “ জোড়াসাকো ঠাকুরবাড়ি” নামেও পরিচিত যা মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি। কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী মিউজিইয়্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আবিচ্ছেদ্য অংশ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সকল কাজকর্মের এক সংরক্ষণাগার,যা যেকারো ভালো লাগবে।

সেন্ট জন্স চার্চ : সেন্ট জন্স চার্চ কলকাতার একটি গির্জা। এটি একটি ক্যাথিড্রাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেন্ট জন’স চার্চ কলকাতায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বারা প্রথম স্থাপিত ভবনগুলির একটি।এটি রাজভবনের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত। এই গির্জার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৭৮৪ সালে। পাবলিক লটারির মাধ্যমে নির্মাণব্যয় ৩০,০০০ টাকা তোলা হয়েছিল। কাজ শেষ হয় ১৭৮৭ সালে। সেন্ট জন’স চার্চ কলকাতার তৃতীয় সবচেয়ে পুরনো (আর্মেনিয়ান গির্জা ও ওল্ড মিশন চার্চের পরে) গির্জা। ১৮৪৭ সাল পর্যন্ত সেন্ট জন’স চার্চ ছিল কলকাতার অ্যাংলিকান ক্যাথিড্রাল। তারপর সেন্ট পল’স চার্চে কলকাতার ক্যাথিড্রাল স্থানান্তরিত হয়। সেন্ট জন’স চার্চটি লন্ডনের সেন্ট মার্টিন-ইন-দ্য-ফিল্ডস চার্চের আদলে নির্মিত।

ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র ইন্ডিয়া তথা ভারত। প্রকৃতির অপার রূপে ভরপুর ভারতের দর্শনীয় স্থানের সংখ্যা অসংখ্য। আমাদের পার্শবর্তী দেশ হওয়ায় এবং তুলনামূলক কম খরচে অনেক জায়গা ভ্রমণ করা যায় বলে অনেকেই এই দেশের দর্শনীয় জায়গায় ভ্রমণ করতে যান। ভারতের জনপ্রিয় ভ্রমণের জায়গা গুলোর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে আমাদের এই ভারত ভ্রমণ গাইড।

তাজমহল
ভারতের পশ্চিম উত্তর প্রদেশ আগ্রার এক রাজকীয় সমাধির নাম তাজমহল (Taj Mahal)।

সিকিম
সিকিম (Sikkim) আয়তনের দিক দিয়ে ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য হলেও প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পর্যটন শহর।

মানালি
ভারতের উত্তরের হিমাচল প্রদেশের কুলু জেলার বিয়াস নদীর উপতক্যায় অবস্থিত একটি অপূর্ব পাহাড়ি শহরের নাম মানালি (Manali)।

শিমলা
ভারতের হিমাচল প্রদেশের চমৎকার একটি পর্যটন শহর শিমলা (Shimla)। ইংরেজ শাসনামলে শিমলাকে গরমের দিনের অবকাশ যাপনের জন্য “গ্রীষ্মকালের রাজধানী শহর”

দিল্লি
ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রাজধানী দিল্লি (Delhi) বিশ্বের বৃহত্তম মহানগরী গুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রায় ১১ বার বিভিন্ন শাসকের সম্রাজ্য বিস্তার করা।

মেঘালয়
মেঘ পাহাড় ও ঝর্ণার দেশ উত্তর পূর্ব ভারতের মেঘালয় (Meghalaya) রাজ্য। চারদিকে উঁচু উঁচু সব পাহাড়, হাত বাড়ালেই মেঘের স্পর্শ।

দীঘা সমুদ্র সৈকত
দীঘা (Digha) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত জনপ্রিয় একটি সমুদ্র সৈকত।

ডুয়ার্স
ডুয়ার্স ভারতে অবস্থিত ভূটান সংলগ্ন জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্র। ডুয়ার্স (Dooars) শব্দের অর্থ প্রবেশদ্বার বা দরজা।

আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ
নীলপানির দ্বীপ খ্যাত আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ (Andaman Islands) যেন দিগন্তজোড়া জলরাশির উপর তুলোর মত ভাসতে থাকা সবুজ পাহাড়ের স্থলভূমি।

কাশ্মীর
ভূ-স্বর্গ নামে পরিচিত কাশ্মীর। এর রূপে এমনই মুগ্ধ হয়েছিলেন মোঘল বাদশাহ জাহাঙ্গীরযে কাশ্মীরকে স্বর্গের সাথে তুলনা করেছেন।

 

চেরাপুঞ্জি
চেরাপুঞ্জি (Cherrapunjee) ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪,২৬৭ ফুট উঁচুতে অবস্থিত চেরাপুঞ্জিতে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়।

কলকাতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী শহর কলকাতা (Kolkata) যা সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের দিক থেকে বিশেষ গুরুত্বসম্পন্ন শহর। হুগলী নদীর তীরে অবস্থিত।

আলিপুর কেন্দ্রীয় কারাগার হচ্ছে একটি জেলখানা যেখানে ব্রিটিশ শাসনকালে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে আটক রাখা বা ফাঁসি দেয়া হতো। জেলখানা এখনো চালু আছে। এটাতে আলিপুর জেল প্রেসও অবস্থিত।
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় হলো কলকাতার একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৬২ সালের ৮ মে প্রতিষ্ঠিত হওয়া কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে তাঁর নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের উদ্যোগ ১৯৬১ সালে গৃহীত হয় এবং সেই বছরই পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৬১ পাস করানো হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়টি জাতীয় মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন পরিষদ (ন্যাক) কর্তৃক ভারতের মধ্যে “চার-তারা বিশ্ববিদ্যালয়” হিসেবে স্বীকৃত এবং “এ” গ্রেড প্রাপ্ত। বিশ্ববিদ্যালয়টি চারুকলা অনুষদের অধীনে চারুকলা, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং অন্যান্য বিষয়ে পারফর্মিং আর্টস এবং দৃশ্যকলায় স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করে।
দীঘা বা দিঘা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত। দীঘাতে একটি অগভীর বেলাভূমি আছে যেখানে প্রায় ৭ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট ঢেউ বালুকাভূমিতে আছড়ে পড়তে দেখা যায়। এখানে ঝাউ গাছের সৌন্দর্যায়ন চোখে পড়ে; যা ভূমিক্ষয়রোধেও সমান সাহায্য করে।
নাখোদা মসজিদ কলকাতার প্রধান মসজিদ। এটি মধ্য কলকাতার পোস্তা, বড়বাজার এলাকার জাকারিয়া স্ট্রিট ও রবীন্দ্র সরণির সংযোগস্থলে অবস্থিত।

তৌফিক সুলতান, ইন্টর্ন শিক্ষার্থী – ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial