ঢাকাসোমবার , ১৫ জানুয়ারি ২০২৪
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

মুলতান টেস্ট আজো কাঁদায়!

জুবায়ের আহমেদ
জানুয়ারি ১৫, ২০২৪ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 

টেস্টে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জয় আছে। বড় জয় হিসেব করলে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও শ্রীলংকাকে হারানোর ম্যাচ তিনটিকেই আলাদা করা যায়। আবার ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়েকে হারানোর ম্যাচটিও ছিলো টেস্ট ক্রিকেটে অস্তিত্ব রক্ষার টনিক। প্রথম জয়ের ম্যাচটি কতই না রোমাঞ্চকর ও আনন্দের ছিলো।

বাংলাদেশের জয় ও ড্রয়ের ম্যাচের আনন্দের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চকর, স্মরণীয় ও হৃদয়বিদারক ঘটনার জন্ম দিয়েছিল মুলতান টেস্ট। পুরো ম্যাচ জুড়ে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে থেকেও ক্যাচ মিছ, বাজে আম্পায়ারিং ও ইনজামামের লড়াইয়ের কাছে শেষে ১ উইকেটের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল বাংলাদেশকে।

২০০৩ সালে পাকিস্তান সফরের তিন টেস্ট সিরিজে পরপর দুই ম্যাচে পরাজয়ের পর হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে মুলতানে হাবিবুল বাশারের ৭২, রাজিন সালেহের ৪৯ রানের সুবাদে বাংলাদেশের গড়া ২৮১ রানের জবাবে রফিকের (৫ উইকেট) ঘূর্ণিতে মাত্র ১৭৫ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ২য় ইনিংসে বাংলাদেশ দল ১৫৪ রানে (রাজিন ৪২) অলআউট হয়। অলক কাপালি ২২ রানের ইনিংস খেলার পথে চোখে আঘাত পেয়ে ফেরেন, পুনরায় মাঠে ফিরে লড়াই করলেও আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে রশিদ লতিফের মাটি থেকে তুলে আনা ক্যাচে আউট হন কাপালি, অবশ্য পরবর্তীতে এটি প্রমাণ হলে রশিদ নিষিদ্ধ হন এবং অধিনায়কত্বও হারান।

বাংলাদেশ দল প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পাওয়ায় জয়ের লক্ষ্যে ৪র্থ ইনিংসে ২৬১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ২০৫ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের শংকায় পড়লেও ৯ম উইকেটে ইনজামাম ও ওমর গুল দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান, ওমর গুল ৫০ বলে ৫ রান করে ফিরলেও ততক্ষণে জয়ের কাছাকাছি চলে যায় পাকিস্তান, ২৫৭ রানে ৯ উইকেটের পতন ঘটলেও ইনজামামের অপরাজিত ১৩৮ রানই পাকিস্তানকে ১ উইকেটের জয় এনে দিয়েছিল। সে ম্যাচে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরও হান্নান সরকার ক্যাচ নিতে পারেননি, ওমর গুলের বিপক্ষে নিশ্চিত এলবির আবেদনেও সাড়া দেননি আম্পায়ার এবং পরবর্তীতে ওমর গুলকে ম্যানকাডিং করার সুযোগ পেলেও তা করেননি রফিক। রশিদ লফিতের মিথ্যে বলার বিপরীতে রফিকের মানবতা তখন বিশ্বজুড়ে আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছিল।

জিততে জিতবেও শেষে ১ উইকেটের পরাজয়ের ম্যাচটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ও রোমাঞ্চকর ম্যাচ হয়ে আছে আজো। যে খালেদ মাহমুদকে নিয়ে এখন দেশব্যাপী সমালোচনা করা হয় সেই খালেদ মাহমুদ সেদিন প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট শিকারের পর ২য় ইনিংসেও ৩ উইকেট শিকার করে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে গেলেও পরাজয়ের পর কেঁদে কেঁদে মাঠ ছেড়েছিলেন। ক্যারিয়ারের মোট ১৩ উইকেটের মধ্যে মুলতান টেস্টেই ৭ উইকেট শিকার করেছিলেন মাহমুদ।

জুবায়ের আহমেদ, মৃধা প্রকাশনী

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial