ঢাকারবিবার , ২৬ নভেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

“চালন্দা গিরিখাতে একদিন “

মৃধা প্রকাশনী
নভেম্বর ২৬, ২০২৩ ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমার কিছু বন্ধু সুমন, সৌরভ, সামিউল,জাকারিয়া, সিদ্দিক, আকাইদ আরো অনেকেই।হঠাৎ একদিন আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিলাম, যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চ.বি) পাহাড়ে ঘেরা ২৩০০ একর এর ক্যাম্পাস ঘুরবো। কয়েক দিনের মধ্যে আমরা  চবি ক্যাম্পাস ঘোরাঘুরি শেষ করলাম। এর কয়েক দিন পর  কিছু ইমিডিয়েট বড় ভাই বললো  তোমরা  সবাই ক্যাম্পাসে নতুন  এসেছো তাই পাহাড়ে ঘেরা চবি ক্যাম্পাস তোমাদের নিশ্চয়ই ভালো লেগেছে। কিন্তু  ক্যাম্পাসের একটু বাইরে এর থেকেও সুন্দর জায়গা আছে। তবে সেটা দূর্গম পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। সেখানে যেতে অনেক সাহস ও ধৈর্য প্রয়োজন কেননা সেখানে পদে পদে বিপদ হতে পারে।

তাই সেখানে অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে  যাওয়া যাবে না। কমপক্ষে ৭০থেকে ৮০ জন শিক্ষার্থী  নিয়ে যেতে হয়। এত শিক্ষার্থী যাওয়ার কারণ হলো সেখানে কিছু ডাকাত বা ছিনতাইকারী ওতপেতে বসে থাকে। অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী দেখলে তারা ফাঁকা গুলি বা অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের থেকে ফোন এবং টাকা  কেড়ে নেয় এতে বাধা দিতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে করে অনেক শিক্ষার্থীর ক্ষয়-ক্ষতি ও হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তবুও এত কঠিন রাস্তা হলেও সৌন্দর্য পিপাসুদের ভালোলাগার জায়গা ঐ গিরিখাত টি। সৌন্দর্য পিপাসুরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে যায় প্রায়ই। এই গিরিখাত টি আবিষ্কার করেছে ২০১১ সালের কিছু চবি শিক্ষার্থী। ২০১১ সালের ঐ শিক্ষার্থী গুলো চেয়ছিল  দূর্গম  পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে  শহরে প্রবেশ করবে। কিছুদূর যাওয়ার পর তারা একটি গিরিখাত এর দেখা পায় এবং সেটা  দেখতে অনেক সুন্দর দুই পাশে পাহাড় মাঝখানে ছোট পানি প্রবাহিত রাস্তা। তখন চবি শিক্ষার্থীরা তাদের মধ্যে একজনের নাম অনুসারে এর নাম দেয় চালন্দা গিরিখাত।

এইসব কথা শুনে আমারা কয়েক জন বন্ধু ঐ জায়গাটা দেখার খুব আগ্রহ প্রকাশ করলাম বড় ভাইদের কাছে। কিন্তু বড় ভাইয়েরা রাজি নয় আমাদের গিরিখাতে নিয়ে যেতে কারণ সেই পথ অনেক কঠিন এবং ঝুঁকি পূর্ণ তাছাড়া সেখানে অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বড় ভাইদের কথা শুনে আমরা চমকে উঠলাম। আমরা যেতে চাইলাম অথচ তারা যেতে দিচ্ছে না। অবশেষে কয়েক দিনের মধ্যে আমরা কয়েক জন বন্ধু উদ্যোগ নিলাম যেভাবেই হোক আমরা গিরিখাতের সৌন্দর্য উপভোগ করবো। তাই আমারা একটা অনলাইনে গ্রুপ খুলি যারা যেতে ইচ্ছুক তাদের সেই গ্রুপে এড করি। এভাবেই একসপ্তাহের মধ্যে আমাদের গ্রুপে নব্বই প্লাস সদস্য হয়।আমরা ঠিক করি ১৮-১১-২০২৩  শনিবার সকাল ৮.৩০ এ রওনা দিবো গিরিখাতের উদ্দেশ্যে। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয় এবং ঘূর্ণিঝড় মিধেল হানা দেয়। যার ফলে আমাদের প্ল্যান অকার্যকর হয়। আমরা সেদিন আর যেতে পারলাম না কিন্তু সবার সাথে একটা আলোচনা করে নিলাম যে বৃষ্টি ভালো হলে একটা নতুন তারিখ ঠিক করবো যাওয়ার জন্য।

দুই দিন পর বৃষ্টি ভালো হলে আমরা সবাই মিলে একটা তারিখ ঠিক করি। সেটা হলো ২৫-১১-২০২৩ শনিবার সকাল ৮.৪০ মিনিট।অবশেষে আমরা শনিবার সব বন্ধু,  ব্যাচ মেট এবং  তিন জন বড় ভাই কে নিয়ে মোট ১১৮ জনের একটা টিম নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিই। ১১৮ জনের মধ্যে ৩ জন সৌন্দর্য পিপাসু, দুঃসাহসী মেয়েও ছিল। যেখানে ছেলেরা যাইতেই ভয় পায় অথচ সেই দূর্গম রাস্তায় মেয়ে গুলো যেতে ইচ্ছুক। তাহলে তারা কত সাহসী বোঝায় যায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের  কলা অনুষদ প্রাঙ্গণের সামনে কলা ঝুপড়ী নামে একটা জায়গা আছে।সেই কলা ঝুপড়ী থেকে ৫/৬ কিলোমিটার যাওয়ার পর গিরিখাতের দেখা মেলে।  কলা ঝুপড়ীর পিছন দিক দিয়ে ছোট  রাস্তা আছে। সেই রাস্তা দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করলাম। কিছু ক্ষন হাঁটার পর দেখতে পেলাম  পাহাড় থেকে  নেমে আসা সরু  নালা। সেই নালায়  হাঁটুর নিচ পর্যন্ত পানি। এই পানি পথে হাঁটতে লাগলাম সবাই। মাঝে মধ্যে দুই একজনের পা কেটে গেল, কারো  পায়ের মধ্যে কাটা ফুটে গেল। কেউ আবার পায়ে এ্যাংলেট( এক ধরনের  মোজা) পড়েছে কেননা পথ অনেক কঠিন। নালার মধ্যে ছোট ছোট পাথরে ভরা এই অবস্থায় খালি পায়ে হেঁটে যাওয়া অনেক টা ঝুঁকি  রয়েছে  তাই কেউ কেউ পায়ে এ্যাংলেট পড়েছে।আমি নিজেও খালি পায়ে হাঁটছিলাম এবং মনে মনে ভাবতাম নালায় এত পাথর কখন জানি কি হয়। এত ঝুঁকি নিয়ে যাইতেছি শুধু সৌন্দর্য উপভোগ করবো বলে।

 কতদিন অন্যের মুখে শুনেছি এই যাত্রা পথের কথা অথচ আজ আমি নিজেই যাচ্ছি। নালার স্রোতের প্রতিকূলে আমরা হাঁটছি, কলকলানি শব্দ হচ্ছে দুই পাশে পাহাড়  কত সুন্দর  আশেপাশের প্রকৃতির রুপ, কেউ কেউ আবার ফোনে ছবি তুলছে। কি অপরুপ সাজে সজ্জিত প্রকৃতি। কি এক মনোমুগ্ধকর জায়গা তা হয়তো এই গিরিখাতে না গেলে অনুভব করায় যাইতো না।আমরা রওনা  দেওয়ার আগে প্রায় সবাই হাতে হাতে লাঠি নিয়েছি কেননা দূর্গম  পাহাড়ি অঞ্চল কখন বন্যপ্রাণী সামনে আসে । বিশেষ করে সাপ কারণ এখানে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ রয়েছে। তবে আমাদের যাত্রা পথে কোন বন্যপ্রাণী দেখা মেলে নি।যখন আমরা গিরিখাতে প্রবেশ করলাম তখন সবাই হাত থেকে লাঠি ফেলে দিলাম কেননা সামনে লাঠি নিয়ে আর এগোনো যাচ্ছে না। পিচ্ছিল রাস্তা মাঝে মধ্যে আবার বড় বড় পাথর সবাই ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। খাতের মধ্যে কোথাও হাঁটুর নিচে, কোথাও কোমর পর্যন্ত, কোথাও কাঁধ পর্যন্ত পানি। এতকিছুর মধ্যেও মনে সাহস নিয়ে সবাই ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। মনে মনে ভয় হয় একবার পা পিছলে নিচে খাতে পড়ে গেলে না জানি বড় ধরনের বিপদ ঘটে যায়। একবার নিজেকে নিয়ে ভাবি একবার অন্য সবাইকে নিয়ে ভাবি। আবার আগের বছর যে বড় ভাইরা বা আপুরা এখানে এসেছিল তাদের কথা ভাবি। তারা যদি এই ধরনের পথ অতিক্রম করতে পারে তাহলে আমি কেন পারবো না। ওরা মেয়ে হয়ে এই দূর্গম পথ অতিক্রম করতে পারে। সেখানে আমি ছেলে, আমি কেন পারবো না। পারতে আমাকে হবেই, এই মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকলাম।যখন পরিশ্রম করে গিরিখাতের  হাফ কিলোমিটার জায়গা পার হলাম তখন সামনের দিকে তাকিয়ে দেখি আরো কঠিন এক পথ সামনে। আমার সামনে আমার বন্ধু  সুমন ও আকাইদ এবং মিকদাদ ছিল তারা অনেক কষ্টে পিচ্ছিল উলম্ব  রাস্তা দিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

আমার আগে আরও নাম না জানা কয়েক জন ছিল তাদের কেউ পিচ্ছিল উলম্ব রাস্তা পার হতে পেরেছে আর কেউ পারে নাই বরং খাতে পড়ে গেছে তিন চার জন।তাদের পড়ে যাওয়া দেখে একটু মনে ভয় হলো আমার,  যদি আমিও পড়ে যাই তবে!যারা খাতে পড়ে গেছে তারা আবার উঠলো উঠে দ্বিতীয় বার কঠোর পরিশ্রম করে উপরে উঠে সামনের দিকে অগ্রসর হলো। এবার আমার পালা, আমি কাত  হয়ে একদিকে দুই পা অন্য দিকে দুই হাত দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি। যখন খাড়া দিকে উঠতে লাগলাম তখন মনে হলো আমি পারবো না, এই বোধ হয় খাতে পড়ে যাই। তবুও নিজের কঠোর পরিশ্রম দিয়ে  এবারের মতো কঠিন ধাপ টা পার হলাম । পিছন দিকে একবার তাকিয়ে দেখলাম আমাদের  সঙ্গে আসা সেই মেয়ে তিন জন কে তারা সেই উলম্ব  পিচ্ছিল ধাপটির কাছে। আমি মনে মনে ভাবলাম পারবে তো!ওদের মধ্যে প্রথম মেয়েটি যখন উঠতে ধরলো পা পিছলে নিচে খাতে পড়ে গেলো। নিচে পানি থাকায় সে হালকা  আঘাত পাপ্ত হলো। এক ইমিডিয়েট বড় ভাই ছিল সাফিন ভাই। তিনি প্রথম মেয়েটিকে একটু হেল্প করলেন।এর পর মেয়েটি আবার উলম্ব পিচ্ছিল পথ পার  হওয়ার চেষ্টা করতেই আবার পা পিছলে নিচে পড়ে যায় এতে সে আবার আঘাত প্রাপ্ত হয় তবুও মেয়েটি হাল ছাড়ল না সে আবার চেষ্টা করল উঠার জন্য ।

 তবে তৃতীয় বারের মতো সাফিন ভাই এর সহযোগিতায় সে উলম্ব পিচ্ছিল পথ পার হতে পারল। এর পর দ্বিতীয় মেয়েটা উঠতে শুরু করলো একটু উঠতেই পরে গেলো সে। সাফিন ভাই আবার দ্বিতীয় মেয়েটিকে হেল্প করলো, মেয়েটি দ্বিতীয় বারের সময় উলম্ব পিচ্ছিল পথ পার হতে পারল। এরপর তৃতীয় মেয়েটিকে প্রথম থেকে হেল্প করেছে সাফিন ভাই।  যাতে সে অন্য দুই জনের মতো নিচে না পরে যায়। মেয়েটি প্রথম বারেই উলম্ব পিচ্ছিল পথ পার হতে পারলো ।এর পর ছেলেগুলোর মধ্যে দুই একজন পরে ছিল খাতে  তারাও তাদের চেষ্টায় উলম্ব পিচ্ছিল পথ পার হলো। কিছু দূর গিয়ে একটা জায়গা পড়লো চোখের  সামনে যেখানে  কাঁধ পর্যন্ত পানি। সেই পানিতে কেউ কেউ সাতার দিয়ে পার হয়েছে কেউ কেউ হেঁটে পার হলো। এর পর চুড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছলাম দীর্ঘ ১ ঘন্টা  হাঁটার পর। সেখানে গিয়ে সবাই মিলে আনন্দ উপভোগ করলাম আমরা ১১৮ সদস্য ছিলাম তা আবার পুনরায় গগনা করে নিলাম।। পাহাড়ের গায়ে আমার বন্ধু সুমন তার নাম লিখলো এবং তামিম সে আমার ডিপার্টমেন্ট ও শিক্ষাবর্ষ লিখলো। এবার আমরা ফিরে যাবো চবি ক্যাম্পাসে।কিন্তু যেই পথ দিয়ে আসছি সেই পথ দিয়ে যাওয়া খুবই রিস্ক হয়।যেহেতু গিরিখাতে আসার সময়  অনেক পরিশ্রম হয়েছে তাই এবার বড় ভাই গুলো সিদ্ধান্ত নিলো অন্য পথ অবলম্বন করে ক্যাম্পাসে ফিরবো। তাই আমরা পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে শুরু করলাম। গাছের শিকর ধরে ধরে ৩০মিনিটে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে যাই। পাহাড়ের চূড়ায় উঠে নিচের দিকে তাকালে মনে হয় এতো গভীর খাত , একবার পরে গেলে তার বড় ধরনের বিপদ হতে পারে এমনকি তার মৃত্যুর ও সম্ভবনা রয়েছে ।

পাহাড়ে চূড়ায় ওঠার সময় দুই একজন পা পিছলে নিচে পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা এমন সময় দুই তিন জন তাদের হেল্প করে এবং তারা নিচে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়।অবশেষে মেয়ে গুলোও পাহাড়ের চূড়ায় উঠলো।  সবাই পাহাড়ের উপরের দৃশ্য দেখে মুগ্ধ। পাহাড়ের চূড়ার দৃশ্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর, এত সুন্দর দৃশ্য দেখে সবার মন আনন্দে ভরে যায়।  এবার পাহাড়ের চূড়া দিয়ে দিয়ে আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে রওনা দিচ্ছি। পথিমধ্যে  একটা তেতুলের গাছ দেখতে পাই। তেঁতুলের  গাছটিতে আমার বন্ধু জাকারিয়া উঠে গেল এবং সবাইকে সে তেঁতুল খাইতে দিল  । এর মধ্যে সে আমাকেও কয়খানা তেঁতুল দিল সেই সময়ে মেয়ে তিনটি এসে উপস্থিত হলো।আমার হাতের দিকে তাকিয়ে রইল আমাকে চিনে না জন্য আমার কাছ থেকে তেঁতুল চাওয়ার কথা বললো না আমাকে। আমি মেয়ে দের সামনে তেঁতুল খাচ্ছি অথচ মেয়েদের কে দিচ্ছি  না এটা যেন কেমন দেখায়। সব ধরনের টক জাতীয় খাবার মেয়েরা বেশি পছন্দ করে।  তাই আমি মেয়ে গুলোকেও তেঁতুল  দিলাম । তেঁতুল অনেকেই খাইলো এবং হাঁটতে শুরু করলো।এবার সবাই ক্যাম্পাসে এসে যে যার যার মতো সে চলে গেলো কেউ হলে, কেউ কর্টেজে, কেউ শহরে।ক্যাম্পাসে হাটঁতেছি কয়েক জন বন্ধু এর মধ্যে কয়েকজন বন্ধু আসল এবং তাদের মধ্যে পারিতোষ আমাকে জিজ্ঞেস করলো কি রে  নাহিদ তোরা নাকি চালন্দা গিরিখাতে আজ গেছলি ওখান থেকে আসতে ছিস নাকি?  হুম গিরিখাত থেকে আসতেছি।  গিরিখাতে তো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ  এলাকা তবুও তোরা গিয়েছিলে?  হুম গেছলাম একমাত্র প্রকৃৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করবো বলে। ও তো কি পিকচার উঠাইলি দেখি একটু আচ্ছা দেখ। পরিতোষ পিকচার গুলো দেখে আশ্চর্য হয়ে গেলো। বললো এত সুন্দর ভিউ এর আগে কখনো দেখি নাই বন্ধু। তোমরা গিয়ে অনেক কিছু দেখতে পেয়েছ।কিন্তু আমি এই সুন্দর সুন্দর ভিউ গুলো দেখতে পেলাম না। আমি অনেক কিছু  মিস করলাম রে। যদি সুযোগ হয় আমি একবার হলেও যাবো চালন্দা গিরিখাতে।

মোঃ নাহিদ মিয়া
ডিপার্টমেন্ট অব বাংলা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial