ঢাকামঙ্গলবার , ১৪ নভেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

অভিজ্ঞতার প্রভাব ও বাংলাদেশ ক্রিকেট

মৃধা প্রকাশনী
নভেম্বর ১৪, ২০২৩ ২:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

মো.হাছিবুল বাসার

 

জীবনও একসময় থমকে দাঁড়ায়। আবারো এগিয়ে চলে নিজের গতিতে। দৃষ্টির সীমানায় যে চোখ জুড়ায়,সে-ও একসময় হারিয়ে যায় দূর অজানায়। মোটকথা, সবকিছুরই যেমন শেষ বলে একটা কথা আছে। তেমনি ক্রীড়াক্ষেত্রেও কথাটা মিথ্যে হবার নয়। ট্রানজিশন পিরিয়ড নামে ক্রিকেটের একটা টার্ম আছে। যে টার্মের মারপ্যাঁচে পেরে উঠেনি শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। কেনিয়ায় ক্রিকেটের স্বর্ণযুগের মহারথী স্টিভ টিকোলের পরের প্রজন্ম ক্রিকেট তো ভুলতো বসেছে! অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার,গ্ল্যান ফ্লাওয়ারের জিম্বাবুয়ে এখন দেখাতে পারেনা আগের জৌলুস। আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর সাথে হারে হরহামেশায়। সোনালী অতীত ধরে রাখতে তারাও ব্যর্থ। পন্টিং-ম্যাকগ্রাদের বিদায়ে অস্ট্রেলিয়াও ধুঁকছে কিছুদিন।দিলশান,জয়সুরিয়া,সাঙ্গাকারা,জয়বর্ধনে ও মালিঙ্গার মানের কোন ক্রিকেটার এখনও খুঁজে পায়নি লঙ্কা। অথচ একসময় এই সিংহের থাবায় কত দলই না নাকানিচুবানি খেয়েছে। এক বারের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, দু’বারের ওয়ানডে শ্রেষ্ঠত্বের ফাইনালিস্ট শ্রীলঙ্কার কদর আর নেই। বর্তমান যুগের ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ে,বাংলাদেশ,আফগানিস্তানের বিপক্ষে পাত্তা পায় না। ঠিক এমনটাই কি ঘটবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ক্ষেত্রে?

 

পুরোনোকে সম্মানের সাথে বিদায় না জানানটা দেশের ক্রিকেটের নিয়মিত চিত্র। মাশরাফির মতো গুণীর বিদায়টা রঙ্গিন হয়নি। এখনো আন্তজার্তিক ক্রিকেটকে বিদায় বলেন নি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে মুশফিকের অপমানজনক বিদায়,টেস্টে মাহমুদুল্লাহর। তামিমের টি-টোয়েন্টি অবসরটাও মাঠ থেকে নেয়া হয়নি। এতসব বিতর্কের সঙ্গী এখন শূন্যতা। আগামী ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে র‍্যাংকিংয়ে আটে থাকা চাই৷ রিয়াদ-মুশি-তামিমরা যদি নীরবে বিদায় বলে দেন,বাংলাদেশ কি ভঙ্গুর দল হয়ে যাবে না? গত সতেরো বছরে সাকিবের বিকল্প তো দূরে থাক, একজন তামিমের বিকল্প কি পেয়েছে বাংলাদেশ? উত্তর খুঁজলে কপাল চাপড়ানো ছাড়া উপায় নেই। কারণ দেশের ক্রিকেটের পাইপলাইন তো মজবুত নয়।

 

নেট রান রেটের চক্করে ভাগ্য খুলেছে বাংলাদেশের। খেলতে পারবে ২০২৫ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে । এখানে খেলেও তৃপ্ত হওয়ার সুযোগ নেই। সামনে ঘনিয়ে আসছে শঙ্কার কালো মেঘ। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ সরাসরি খেলতে হলে অন্তত আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে আটে থাকা চাই। বর্তমানে থাকা ৮ নম্বর অবস্থানটা ধরে তরুণ দলের জন্য চ্যালেঞ্জ। তাই সিনিয়র ক্রিকেটারদের আরো ২ বছর দেশের ক্রিকেটে থাকাটা জরুরী। যদি সাকিব-তামিমদের বিদায় বলে দেয়া হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেটের কালো মেঘ যে আসবে না,সেই স্বস্তির বার্তা কি আছে?

 

 

পরবর্তী বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে হলে জাতীয় দলে অভিমানী তামিমকে ফেরানো জরুরী। সেই সাথে জরুরী তামিম-সাকিবের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য দ্বন্দ্ব নিরসন। দলীয় স্বার্থে প্রত্যাশা থাকবে আগামী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্ত যেন ৪ সিনিয়র ক্রিকেটার খেলেন। বাংলাদেশও পরবর্তী বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করে। তবে যদি-কিন্তুর প্রশ্নে তামিম যদি না ফেরেন, মাহমুদউল্লাহ- মুশফিক যদি অবসরে যান; বাংলাদেশ কি পারবে আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে ? নাকি বাংলাদেশের পরিণতি হবে জিম্বাবুয়ের মতো, সেটা সময়ই বলে দেবে।

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial