ঢাকাশনিবার , ১১ নভেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

পানশালা

মৃধা প্রকাশনী
নভেম্বর ১১, ২০২৩ ৬:২৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

আমি তো সেদিন পানশালায় বাজি ধরে টাস খেলতে
বসেছিলাম আর নর্তকীর নৃত্য শুরু হওয়ার পর
বাজির শর্ত লঙ্ঘন করে হো হো করে করতালি দিয়েছিলাম।
সাথে তা তা থৈ থৈ গান গেয়েছিলাম।

কিন্তু
শরাবের পেয়ালায় চুমুক দেওয়ার আগেই
চতুর্দিক ঘিরে ফেলেছিল কার্ল মার্ক্সের মানষপুত্ররা।
থিউরি অব ভ্যালুসের দোহাই দিয়ে
ইলেকট্রিক শক দিয়ে আমার জবানবন্দি নিয়েছিল
শাদা পোশাকের কিছু ভদ্র চাকর।
তাদের মুখ থেকে শরাবের গদগদ গন্ধ বের হচ্ছিল
আর কি অকথ্য ভাষা তাদের!
ঘেন্নায় সেদিন রাস্তার কুকুরগুলোও দূরে সরে গিয়েছিল।

সমাজতন্ত্রের ঘৃণ্য নির্যাতন আমি সহ্য করতে পারিনি।
জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম।
মতি ফেরার পর বুঝতে পেরেছিলাম –
পেছনমোড়া করে কোন ভাঙা কাঠের চেয়ারে
বেঁধে রাখা হয়েছিল আমাকে।
নিয়মমাফিক দংশনে ছিল একদল পালিত বিষপিঁপড়া।
দুচোখ বেঁধে রেখেছিল কালো কাপড় দিয়ে।
অবশেষে
তারা নির্যাতন করে করে যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল
তখন পানশালায় যাওয়ার অপরাধে
আমাকে দেখিয়ে দিল লালদালান।

অন্ধকার এক কুঠুরি।
যেখানে সূর্য উঠে না কোনদিন।
ভয়ঙ্কর ঘন অন্ধকারে
একদিন ক্লান্ত হয়ে আমি তাস খেলতে বসেছিলাম অন্ধকারের আত্মীয় স্বজন প্রেতাত্মাদের সাথে
কিন্তু দাবার গুটি চালার মতোন জোর পাইনি।
পুরোদস্তুর আমাকে পঙ্গু করে দিয়েছিল
সমাজতন্ত্রের এ মূর্খ সমাজ।

সেই পঙ্গুত্ব নিয়েই আজ আমাকে বেঁচে থাকতে হয়।
আমি বেঁচে থাকি।

পানশালা
আল আমীন আজহার

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial