ঢাকাশনিবার , ২৮ অক্টোবর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলি যেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী নামাক পাখপাখালির নীড়

মৃধা প্রকাশনী
অক্টোবর ২৮, ২০২৩ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মো. আব্দুল ওহাব

সেই ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পদচারণা শুরু হয়।আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে এই সংখ্যা।কানায় কানায় ভর্তি হয়ে যায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের পদচারণায় ।যদি ক্যাম্পাসকে বাগান হিসেবে কল্পনা করি তাহলে শিক্ষার্থীরা হবেন এই বাগানের পাখপাখালি।কেননা সারাদিন এসব পাখপাখালিদের কিচিরমিচির আওয়াজে মুখরিত থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। পাখপাখালিরা যেমন আকাশে, গাছে গাছে ,এদিক ওদিকে উড়ে বেড়ায় তেমনই শিক্ষার্থীরা চলাফেরা করে একস্থান থেকে অন্য স্থানে। যদি ক্যাম্পাসকে মৌচাক হিসেবে কল্পনা করি তাহলে শিক্ষার্থীরা হবেন এই মৌচাকের মৌমাছি। সকলে সর্বদা ব্যস্ত থাকে জ্ঞান নামক মধু সংগ্রহের কাজে।সকলের সামনে দৃষ্টি থাকে নিজের বিভাগ আর ক্লাসের সূচী। এর মাঝে যদি কখনও কোন ক্লাস ক্যান্সেল হয় তাহলে আর আনন্দের সীমা থাকে না।সবাই হই দিয়ে আনন্দে মেতে ওঠে। সবাই সবার সাথে গল্প করতে থাকে বিরতির সময়ে।এসব দেখে আসলেই মনে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সকলেই যেন এক একটা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থী ।সকলে বড় হলেও ক্লাস ক্যান্সেল হওয়ার পর চিল্লানি দেওয়ার ছেলেমানুষী একদমই যায়নি।

 

সেই সকালে আসার পরে কিভাবে যে সময় কেটে যায় জ্ঞান পিপাসু শিক্ষার্থীরা জ্ঞান আহরণ করতে করতে তা বুঝতেই পারে না। গ্রামের বাড়িতে মায়ের কোলে ছুটিতে গেলে যেভাবে ছুটি কোনদিক দিয়ে শেষ হয়ে যায় বোঝা যায়না তেমনই ক্যাম্পাস নামক মাতৃক্রোড়েও শিক্ষার্থীরা বুঝতেই পারেনা কিভাবে সময় অতিবাহিত হয়ে যায়। সর্বদা দেখা যায় কেউ গ্রুপ স্টাডিতে ব্যস্ত, কেউবা বন্ধুদের সাথে আড্ডায়, আবার কেউবা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে বই পড়তে ব্যস্ত। বিভিন্ন চত্বরে দেখা যায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আড্ডার চিত্র ।দিন শেষে সবাই সবার ব্যস্ততা শেষ করে ফিরে যায় যার যার আবাসস্থলে কিন্তু এখান থেকে যেতেই মন চায় না,মনে হয় যেন এখানেই তারা কাটিয়ে দিবে অহোরাত্র। ক্যাম্পাসও যেন শিক্ষার্থীদের ছাড়তে চায়না। সন্ধ্যার পর থেকে যখন শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমতে থাকে তখন থেকে ক্যাম্পাসকে অসহায় অসহায় মনে হয় যেন সে তার যৌবনকে হারিয়ে ফেলতে যাচ্ছে। রাত যত গভীর হয় ক্যাম্পাসটা ততই নীরব ও নিঃস্ব হয়। সারারাত যেন চলে তার যৌবনকে ফিরে পাওয়ার আহাজারি। রাতশেষে সকালবেলা যখন আবার শিক্ষার্থীরা পদচারণা শুরু করে তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস আবারো তার যৌবনকে ফিরে পায় নতুনরূপে।

 

লেখক:- শিক্ষার্থী, আরবি বিভাগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
ই-মেইল:- wohabbuipur@gmail.com

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial