ঢাকাশুক্রবার , ২৭ অক্টোবর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

পশুপাখিদের অবমুক্ত করার আহ্বান

মৃধা প্রকাশনী
অক্টোবর ২৭, ২০২৩ ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

পৃথিবীর কোন প্রানী চায় না বন্দি জীবন।। সবাই চায় প্রকিতির হাওয়া গায়ে লাগিয়ে বেড়ে উঠতে। পাখিরা তাদের ডানায় ভর করে ছুটে চলে দেশ হতে অন্য দেশে অজানার উদ্দেশ্যে । তারা তাদের প্রয়োজন মত খাবার ভক্ষণ করে। তারা থাকার জন্য চমৎকার বাসা নির্মাণ করে। যা প্রকৃতির সৌন্দর্য্যকে বৃদ্ধি করে। আমাদের চারপাশ হয়ে ওঠে মনোমুগ্ধকর। সকাল হলেই শোনা যায় তাদের কলকাকলি। ভোরের পাখিগুলো গেয়ে যায় মধুর গান তাদের সুন্দর কন্ঠে। তারা দৌড় ঝাঁপ করে এক গাছ থেকে অন্য গাছে। তাদের বাসাগুলো দেখে মনে হয় কি নিপুণ হাতেই না বানানো হয়েছে। পশুগুলো কী সুন্দর ভাবে আমাদের চারদিকে ছেয়ে আছে। ওরা যেন আমাদের সুখ-দুঃখ এর অংশীদার।
আমাদের জীবনের প্রতিটি কাজেই তাদের অংশগ্রহণ। শৈশব থেকে শুরু করে, বৃদ্ধ সময় পর্যন্ত যেন ওরাই আমাদের চলার সাথী। পশুপাখি গুলো বন জঙ্গলে কী সুন্দর ভাবেই না নিজেদের জীবন পরিচালনা করে।। অনেকই কুকুরের বাচ্চা ও বিড়ালের বাচ্চা লালান করে থাকে। পশুপাখির ছোটাছুটি পরিবেশকে সতেজ করে তুলে।। এরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে। কিন্তু আমরা অনেকেই পশুপাখিকে খাঁচায় আবদ্ধ করে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে ফেলছি। যা কখনো জ্ঞান বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের দ্বারা কাম্য নয়। অনেকেই দেখা যায় শখের বসে খাঁচায় আবদ্ধ করে পশুপাখি লালন করে। যার ফলে পশুপাখি অনেক নতুন রোগে আক্রান্ত হয়। তাদের মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়। অনেক পশুপাখি ধুঁকে ধুঁকে মারা যায় একটু মুক্তির আসায়। পশুপাখির দোকানে গেলে দেখা যায়, হায়! কী করুন দসা তাদের। দেখলে চোখে পানি চলে আসে। মনে হয় সব পশুপাখি গুলো ছেড়ে দিয়ে বলি এইতো ফিরিয়ে দিয়েছি তোমাদের মৌলিক অধিকার।। একটা উড়ন্ত পাখিকে খাঁচায় আটকে রেখে কিভাবে তার ভালো চাইতে পাড়েন। পাখিতো আকাশের নীলিমায় আর তার বানানো গাছের কোটরে বাসায় ভালো থাকবে। গাছে ফোঁটা ফুল কখনোই আপনি ছিঁড়ে এনে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সতেজ রাখতে পাড়েন না। পশুকে বন থেকে ধরে এনে খাঁচায় আটকে রেখে সুস্বাদু খাবার দিলেই সে ভালো থাকবে না। তাই আমাদের উচিৎ নিজের বিনোদন,ইচ্ছা আর ভালো লাগার জন্য না। পশুপাখির ভালো থাকার স্বার্থে কাজ করা।প্রকৃত পশুপাখি প্রেমিক কখনোই তাদের খাঁচায় আবদ্ধ করতে পাড়ে না। তাদের অবমুক্ত করে দিতে হবে। তবেই পরিবেশ হবে আরো সুন্দর, আরো মনোমুগ্ধকর।।

ইমন হাওলাদার
ইতিহাস বিভাগ (২০২০-২১)
শিক্ষার্থী,ঢাকা কলেজ
জেলা: মাদারীপুর

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial