ঢাকাসোমবার , ২৩ অক্টোবর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

‘শ্রবণ,ভাষা,  বাকবৈকল্য এবং একজন জিতেন্দ্রিয় বিশেষজ্ঞের গল্প 

মৃধা প্রকাশনী
অক্টোবর ২৩, ২০২৩ ১২:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কোন ব্যক্তির শব্দ শোনার জন্য যদি ২৫ ডেসিবেল এর অধিক তীব্রতাযুক্ত শব্দের প্রয়োজন হয় তবে সেই ব্যক্তিকে শ্রবণের দিক থেকে ত্রুটি সম্পন্ন বলা হয়  ।
এ প্রসঙ্গে মনোবিদ এলেন ট্রেঞ্চ বলেছেন, জন্ম থেকে যে শিশুর শ্রবণ শক্তিহীন হয়ে জন্মেছে অথবা যে শিশু এই ক্ষমতা হারিয়েছে প্রাক শৈশব বাচনিক ভঙ্গি অর্জন করা এবং ভাষার বিকাশের আগেই তাকে  বলা হয় বধির। যেসব শিশুরা জন্মগতভাবে কানে শুনতে পায় না তারা কথা বলতেও শেখেনা। অর্থাৎ তাদের বাচনিক বিকাশ হয় না এ কারণে জন্মগতভাবে আর যারা বধির তারা জন্মগতভাবে মুক বা বোবা হয়। মানুষের ত্রুটিযুক্ত শব্দের মাত্রার মধ্যে উৎপন্ন শব্দে যদি কোন ব্যক্তির শ্রবণের অনুভূতি জন্মাতে বাধা দেয় অথবা কানের কোন গঠনগত ত্রুটির কারণে কানে শুনতে না পায় তাহলে শুনতে না পাওয়াকে শ্রবণ প্রতিবন্ধীতা এবং যে শুনতে পায় না অর্থাৎ যার সমস্যা থাকে তাকে শ্রবণ প্রতিবন্ধী বলে।প্রতিবন্ধী শিশুদের সাধারণত ৫ ভাগে ভাগ করা যায় যেমন শারীরিক প্রতিবন্ধী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এবং বহু প্রতিবন্ধী ।

‘আমেরিকান ইনডিভিজ্যুয়াল ডিসএবিলিটি  অ্যাক্ট’  ১৯৯০তে বলা হয়েছে, এমন এক অবস্থা  যা ব্যক্তির মধ্যে যন্ত্র ছাড়া বা যন্ত্রসহ অবস্থায়  ভাষাগত উচ্চারণ করার ক্ষেত্রে  কোন প্রকার অর্থের উৎপাদন করতে ব্যর্থ হয়  এবং তার শিক্ষাগত বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ অনুযায়ী প্র’তিবন্ধী’অর্থ এমন ব্যক্তি যিনি জন্মগতভাবে বা রোগ আক্রান্ত হয়ে বা অপচিকিৎসায় বা অন্য কোন কারণে দৈহিকভাবে বিকলাঙ্গ বা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীনতার ফলে আংশিক বা সম্পূর্ণ কর্মক্ষমতাহীন এবং স্বাভাবিক জীবন যাপনে অক্ষম  ।  প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকারও সুরক্ষা আইন ২০১৩ এবং ‘নিউরো ডেভলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষার ট্রাস্ট আইন,  ২০১৩ আইন দু’টি অন্যতম। এই আইন দু’টির মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার এখন আইন দ্বারা স্বীকৃত হলো।

দশম জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনের শেষ আইন “বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন ২০১৮” পাস করা হয়েছে। এই আইনটির ফলে দেশের বিদ্যমান প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কিংবা দূর্ঘটনার ফলে পঙ্গুত্ববরণকারী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজেরই অংশ।  দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সকল শ্রেণির শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীদের জন্য সেবাও সহায়ক সামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে।  এরমধ্যে প্রায় ১৮.৫ শ্রবণ প্রতিবন্ধী ও ৩. ৯ হচ্ছে বাক প্রতিবন্ধী।’ওয়ার্ল্ড  ফেডারেশন অফ দ্য ডেফের তথ্য মতে,
সারা বিশ্বে প্রায়ই ৭ কোটি বাক প্রতিবন্ধী রয়েছে। আমাদের দেশে বর্তমানে ১ লক্ষ ৬৬ হাজার  ৩৯৭ জন নিবন্ধিত বাকশ্রবণ প্রতিবন্ধী রয়েছে। এর মধ্যে ১লক্ষ  ৯০৭ জন বাক প্রতিবন্ধী ৪৭ হাজার ৪৯০ জন শ্রবণ প্রতিবন্ধী আছে । মানবসভ্যতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ভাষা। অর্থপূর্ণভাবে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্যই ভাষার উৎপত্তি।  ভাষা হলো মানুষের যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম।

মানুষের মনের ভাব প্রকাশের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম ভাষা। লিখিতভাবে, অঙ্গভঙ্গির ইশারায় ইত্যাদি উপায়ে মনের ভাব প্রকাশ করা ও ভাষার আরেকটি রুপ। যাদের শ্রবণ,ভাষা ও বাকবৈকল্যর সমস্যা আছে তাঁরা সাংকেতিক ভাষা বা ইশারা ভাষার ব্যবহার করে। আমাদের চারপাশে আমরা প্রায়শই বাকপ্রতিবন্ধী অথবা শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের দেখতে পাই, তাঁরা আমাদের সমাজেরই অংশ। বৈকল্য শ্রবণ শিশু, এই শিশুরা যেখানে উপলব্ধি,  মেমোরি,  ভাষা চিন্তা লঙ্ঘন ,অমনোযোগী এবং বদ্ধ হয়।
‘বাচনিক বৈকল্য’শিশুর অভিভাবকদের নিকট জিজ্ঞেস করলে সহজেই জানা যায় তাঁরা কিভাবে প্রতিকূল পরিবেশে মানিয়ে নিয়েছে কিংবা এই ক্ষমতাটুকু পরিবেশ হতে অধিগত কিংবা ক্রমাগত প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে অর্জিত  প্রতিরোধী ক্ষমতা এভাবে চেষ্টারত থাকলে শিশু বা যুবা অনেক সাবলীল ভঙ্গিতে অন্যের নিকট নিজেদের প্রকাশ করতে পারবে। ‘আচরণগত পরিবর্তন’ এর মাধ্যমে এই ধরনের শিশুদের আরও  উপযোগী  করে তোলা সম্ভব।  ওদের মনোবল বাড়াতে ও সমাজে নূন্যতম অধিকার আদায়ে সমস্যা চিহ্নিত করে ‘আচরণগত সক্রিয়করণ’ চিকিৎসার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

তাছাড়া সমস্যাভেদে স্বাভাবিক তথা সম্পূর্ণ যোগাযোগ সমস্যার সঠিক চিকিৎসা করা হয় ‘স্পিচ এন্ড ল্যঙ্গুয়েজ থেরাপির মাধ্যমে।
 স্পিচ থেরাপি হচ্ছে বিশেষ এক ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা, যার সাহায্যে কথা বলতে অক্ষম অথবা স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারে না এমন রোগীদের চিকিৎসা করা হয়। তোতলামি, শিশুদের দেরিতে কথা বলা, কানে কম শোনাজনিত কথা বলার সমস্যা ইত্যাদি নানা কারণে যারা স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারে না, তাদের প্রাণখুলে কথা বলার সুযোগ এনে দিয়েছে স্পিচ থেরাপি। দাঁত, জিহ্বা, তালু, ভোকালকর্ড ইত্যাদি অঙ্গের সমিমলনে আমরা কথা বলি। এর যে কোনোটির সামান্য সমস্যা হলে স্বাভাবিক কথা বলা সম্ভব হয় না। সিপচ থেরাপিস্টরা তাই বাকপ্রতিবন্ধীদের কিছু কায়দা-কানুন শিখিয়ে দেন ও চর্চা করান। প্রয়োজনে তারা অপারেশনের সহায়তা নেন।তবে এই স্পিচ থেরাপি শিশুদের জন্য খুবই উপকারী। এই থেরাপি শিশুকে সঠিকভাবে কথা বলতে এবং শিখতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি আত্মবিশ্বাস দেয় যে, সে অন্য শিশুদের মতো কথা বলতে পারে। কিছু শিশুর ঠিক মতো কথা বলতে পারে না তাদের জন্য এই থেরাপি খুবই উপকারী। এই থেরাপি শিশুদের সামাজিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করে যেন তারা সামাজিকীকরণ শিখে সকলের সঙ্গে মিশতে পারে। মহান সৃষ্টিকর্তার পর অসুস্থ অবস্থায় আমরা যার ওপর ভরসা করি তিনি একজন চিকিৎসক। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় এবং একজন চিকিৎসকের প্রচেষ্টায় রোগীর সুস্থতা ফিরে পেতে পারে। মহান সৃষ্টিকর্তা প্রতিটি মানুষকে সমান গুণাবলী দিয়ে সৃষ্টি করলেও বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ  বিভিন্ন প্রতিভা নিয়ে বেঁচে থাকেন। যে মানুষ যে কর্মের পেছনে চেষ্টা করেন সৃষ্টিকর্তা সে কাজেই তাকে নিয়োজিত করেন। গুণীজনরা বলেন, ‘চেষ্টার চেয়ে বড় প্রার্থনা আর কি বা আছে?’বলছি এস এম তৌফিক আবির যিনি শ্রবণ, ভাষা ও বাকবৈকল্য বিশেষজ্ঞ
মানবসেবা করার উপযুক্ত ব্যক্তি বলেই হয়তো  সৃষ্টিকর্তা মহানই দায়িত্বটিতে আপনাকে নিয়োজিত করেছেন। পৃথিবীতে মানব সেবা করার সর্বোৎকৃষ্ট পেশা হলো চিকিৎসা  পেশা। চিকিৎসা পেশার অন্তর্গত শাখা শ্রবণ ও বাক বৈকল্য। প্রাণবন্ত বিশেষজ্ঞ এস এম তৌফিক আবির যিনি কাজ করে চলেছেন সমাজের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর শ্রবণ ও বাক বৈকল্য  নিরসনে।  (শ্রবণজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি, দেরিতে কথা বলা,  ক ক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি শিশুদের অডিটরি ভারবাল থেরাপি অটিজম স্নায়বিক সমস্যা, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, কন্ঠস্বরের সমস্যা, পারকিনসন ইত্যাদি সূক্ষ্ম বিষয়গুলোতে যিনি জাদুকরী চিকিৎসা দিচ্ছেন।

তিনি প্রয়াস ইনস্টিটিউট অফ এক্সক্লুসিভ এডুকেশন এন্ড রিসার্চ থেকে  সফলতার  সঙ্গে নিজের স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে তিনি একজন সফল শ্রবণ, বাক,  ভাষা বৈকল্য বিশেষজ্ঞ। তিনি এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শ্রবণ মাত্রা নিরূপণে যন্ত্রপাতির প্রয়োগ ‘ প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া সহ জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, এবং বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমের মাধ্যমে ভূয়োদর্শী হয়েছেন এবং  সমসাময়িক সমস্যাগুলো  উপস্থাপন করেছেন। এস এম তৌফিক আবির জানান,’ আমাদের সমাজে দুই ধরনের শিশু  আছে, তার মধ্যে অন্যতম বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু।    সকল শিশুরাই আমাদের কাছে বিশেষ তবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে এ কারণে তারা ভিন্নভাবে যেকোনো  কাজ করতে সক্ষম ,আমরা খুব সচরাচর  যেটাকে ‘প্রতিবন্ধী’ হিসেবে ব্যবহার করি এই শব্দটির সরাসরি ব্যবহার না করে আমরা একটু ভিন্ন ভাবে বলতে পারি,  যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন  শিশুরা একটু ভিন্নভাবে  সক্ষম।  তারা আর দশটি বাচ্চার মতো সমান না কিন্তু তাদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভা রয়েছে, তারা সমাজের আর দশটি বাচ্চার সমপরিমাণ না হলেও কিছুটা হলেও জীবনটাকে যেন যাপন করতে পারে  সেজন্য আমাদের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত।  একটি শব্দ আমরা প্রায়’শ শুনে থাকি ‘অটিজম’ এই অটিজম শব্দটির শুনলেই কেমন জানি মানুষের মধ্যে একটি ভীতি কাজ করে কিন্তু এটি আসলে এমন কোন রোগ না। এটি এমন একটি অবস্থা যা স্নায়বিক দুর্বলতা বা মস্তিষ্ক জনিত কোনো কারণে হয়ে থাকে।

একটি বাচ্চা দেখতে সুস্থ স্বাভাবিক কিন্তু কথা বলতে পারছে না,  কি কারনে কথা বলতে পারছে না বাচ্চাটি চিন্তা করে যে একটা কথা বলার প্রক্রিয়া সেটা সে করতে পারছে না কেন পারছে না,  এটিই হচ্ছে বিষয়। যে বাচ্চাটি কানে শুনতে পাচ্ছে সে কথা বলবে । আবার অনেক বাচ্চা আছে কানে শুনতে পাচ্ছে কিন্তু কথা বলতে পারছে না তাহলে সমস্যাটা কোথায়? আমরা কথা বলার জন্য আমাদের মস্তিষ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শ্রবণ প্রতিবন্ধী যারা তারা কানে শুনতে পায় না তারা কথা বলতে পারে না। দীর্ঘ পর্যায়ের সে যদি এ সমস্যার ভুক্তভোগী হয়ে থাকে একপর্যায়ে  এটি তার মানসিক বিষণ্ণতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের ক্ষেত্রে খুব অল্প বয়সে বিষয়টি যদি চিহ্নিত করা যায় , সে ক্ষেত্রে তাদেরকে  স্বাভাবিক জীবনযাপনে নিয়ে আসা সম্ভব,প্রথমত বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বলতে গেলে বাচ্চা জন্মগ্রহণের পরে আমরা অনেক সময় অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি কিন্তু আমরা হয়তো ‘হিয়ারিং স্ক্রিনিং’ টা করি না।  এই ‘হিয়ারিং স্ক্রিনিং’ যদি সঠিকভাবে করা যায় জন্মগ্রহণের পরে বাচ্চার শ্রবণ শক্তি স্বাভাবিক আছে কিনা এটি জানা সম্ভব। এস এম তৌফিক আবির এই মানবিক চিকিৎসক আরও  জানান,  আমার কাছে সকল শ্রেণির মানুষের জন্য সেবার দরজা খোলা, আপনি আসুন আপনার শিশুকে নিয়ে আপনার সময় বের করে আসুন আমি আপনার বাচ্চাকে সময় দিবো, আপনার কাছে  অর্থ নেই,  সংকোচে আসতে পারছেন না , আমি সেই বিষয়টি আমলে নিবো আপনার শিশুর চিকিৎসার জন্য আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী দরজা খোলা রেখেছি।’ একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের চিত্র জানান  ঢাকা মহানগরী  বা কেবল মাত্র শহর-ই শহর বা  নয় ঢাকার বাহিরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের কথা ও বলেন। একজন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর পরিবার বা বাক বৈকল্য শিশুর মা-বাবার, অভিভাবকের মানসিক মর্মস্পর্শী  অবস্থা তিনি অনুধাবন করেন।

অত্যন্ত প্রফুল্লতার সাথে  শিশুদের সঙ্গে শিশু সুলভ ভাবে  চিকিৎসা প্রদান করেন, এবং ধৈর্য সহকারে  রোগীর অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেন এভাবেই তিনি হয়ে উঠেছেন আস্থার প্রতীক এবং
একজন ‘কথা বন্ধু’।
তবে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু কিছু ভুল মানুষদের কারণে প্রতারক চক্রের কারণে আমরা বিশেষজ্ঞদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছতে পারি না এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে চিকিৎসা সেবা নিতে ব্যর্থ হই।
বাস্তবিক অর্থে একজন শ্রবণ ভাষা ও বাকবৈকল্য বিশেষজ্ঞ শ্রবণশক্তিহীন ব্যক্তির কাছে জাদুকরের মত।
মানবিক এস এম তৌফিক আবির শুধু
 বিশেষজ্ঞ -ই নন, তিনি একাধারে প্রয়াস ইনস্টিটিউট অফ এক্সক্লুসিভ এডুকেশন এন্ড রিসার্চের অনুষদ শিক্ষক। যাকে শিক্ষা প্রাঙ্গনেও দেখা যায়  অগ্রজ এবং অনুজদের সঙ্গে স্মিত হাস্যজ্জল মুখে কথা বলতে যা অনুকরণীয় । এভাবেই তিনি
সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছেন, হয়ে উঠেছেন ‘দীপ্তিমান জিতেন্দ্রিয়’ বিশেষজ্ঞ।

লেখা – মোছা.জেরিন ফেরদৌস
শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগ
প্রয়াস ইনস্টিটিউট অফ এক্সক্লুসিভ এডুকেশন এন্ড রিসার্চ।
Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial