ঢাকারবিবার , ২২ অক্টোবর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একদিন

মৃধা প্রকাশনী
অক্টোবর ২২, ২০২৩ ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

“একের রক্তে অন্যের জীবন, রক্তেই হোক আত্মার বাঁধন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে অদম্য উৎসাহ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বাঁধন। বাঁধন একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। রক্তের বিনিময়ে অন্যের জীবন বাঁচানোই এই সংগঠনের লক্ষ্য। বাঁধন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে আমরা ৭০ জন বাঁধন কর্মী রাজশাহীতে ‘বাঁধন কমিটির ‘প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিলাম ২৭ জুলাই ২০২৩ সালে । ৭০ জনের জন্য নিরাপদ ভ্রমণের কথা চিন্তা করে, আমরা রেলমন্ত্রণালায়ে নিকট ট্রেনের একটি বগির জন্য আবেদন করি।এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রেলমন্ত্রণালয় আমাদের জন্য ট্রেনের একটি বগি বরাদ্দ করে দিয়েছিল। বাঁধনের সকল কর্মী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বাঁধনের কেন্দ্রীয় জোনে একত্রিত হই। এরপর একটি বাসে করে টিএসসি থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করি।রাত ১০ টায় আমাদের ট্রেন ছিল কিন্তু ট্রেন একটু দেরিতে আসার কারণে আমরা সবাই স্টেশনে কিছু সময় গল্প করি, ট্রেন আসার পর আমরা সবাই ট্রেনে উঠে পড়ি। ঢাকা থেকে রাজশাহী ট্রেনে এটি ছিল আমার প্রথম ভ্রমণ। রাতে ট্রেনে আমরা অনেক আনন্দদায়ক সময় উপভোগ করি এবং ভোরে আমরা রাজশাহী রেলস্টেশনে পৌঁছাই। স্টেশন থেকে রিকশা নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সকালের নাস্তা সম্পূর্ণ করি এবং বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখি।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু সময় অতিবাহিত করি।এরপর আমরা আমাদের পরবর্তী গন্তব্য, রাজশাহী কলেজে উপস্থিত হই।যেখানে ছিল আমাদের মূল প্রোগ্রাম । রাজশাহী কলেজের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত সুন্দর এবং মনোরম। বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম পর্যায়ে কলেজগুলোর মধ্যে রাজশাহী কলেজে অন্যতম। আমাদের প্রোগ্রাম যেহেতু দুপুরে ছিল আমরা এই সময়ের পূর্ণ সুযোগ নিয়ে ছিলাম এবং রাজশাহী কলেজের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেছিলাম।দুপুরে খাবার খাওয়া পর , আমরা সকলে যথাসময়ে প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করি। প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর আমরা সবাই পদ্মার পাড়ে ঘুরতে যাই। পদ্মার পাড়ের সৌন্দর্যের গল্প আমি আমার অতি প্রিয় একজন শিক্ষকের কাছে শুনেছি। তাই পদ্মা পাড়ে যাওয়ার ইচ্ছা আমার অনেক আগে থেকেই ছিল, যা এই ভ্রমনের মাধ্যমে পূরণ হয়েছে। পদ্মা পাড় থেকে পুনরায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। অনেকে তাদের পরিচিত ব্যক্তিদের সাথে দেখা করেন। পুরোন বন্ধুদের সাথে কিছু সময় অতিক্রম করে এবং রাতে খাবার খাওয়া পর সবার কাছ থেকে বিদায় নেই । আমরা রাজশাহী রেলস্টেশনে চলে আসি, এবার ট্রেন যথা সময়ে চলে এসে ছিল।ফেরার পথেও আমি এবং আমার বন্ধুরা গান বাজনা এবং হালকা খাবার খাওয়ার মাধ্যমে সময়টা আনন্দদায়ক করে তুলি।ক্লান্ত হওয়ার কারণে শেষ রাতের দিকে সকলেই ঘুমিয়ে পড়ে।ভোর ৬ টায় আমাদের ট্রেন ঢাকায় এসে পৌছে। এরপর একটি বাস করে সবাই হলে চলে আসি ।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্রমণ আমার কাছে ছিল আনন্দায়ক,শিক্ষনীয় এবং অভিজ্ঞতা ভরপুর একটি ভ্রমণ ।এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আমার মধ্যে ভ্রমণের স্পৃহা বাড়িয়ে দিয়েছে।যা আমাকে আরো ভ্রমণের জন্য অনুপ্রাণিত করেছে।

 

মোছা: রেশমা ওয়ারেজ সোহাগী
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
reshmawaresshohagi2001@gmail

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial