ঢাকারবিবার , ২২ অক্টোবর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

ইসলামের পূনর্জাগরণে শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী রহ. এর ভূমিকা

মৃধা প্রকাশনী
অক্টোবর ২২, ২০২৩ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

-মুহাম্মদ মারুফ আজিজ

হিজরী পঞ্চম শতকের দিকে মুসলমানগণ জ্ঞান-বিজ্ঞান সহ আরো অন্যন্য জ্ঞান,শিল্পকে নিয়ে উন্নতির চূড়ায় সমাসীন থাকলেও ইসলামী জ্ঞান-গবেষণা ও স্বাধীন চিন্তার দ্বার এক রকম বন্ধ হয়ে যায়। ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকরা দীর্ঘদিন রাজত্বে থাকলেও সত্যিকার ইসলাম জনগণের মধ্যে প্রচার করেনি। ইসলামকে বিকৃতভাবে তুলে ধরেছে, অপব্যাখ্যা করেছে। নিজেদের কায়েমী স্বার্থকে মজবুত করার জন্যে অপরকে খুশি করতে গিয়ে ইসলামকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

উমাইয়া এবং আব্বাসীয়দের শাসনামলে ইসলামের সাংস্কৃতিক জীবনও এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হয়। গ্রীক সাহিত্য ও দর্শন-প্রীতির প্রবণতা মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে যাওয়ায় মুসলিম শাসক ও জনগণের আকীদা-বিশ্বাস ও নৈতিক চরিত্রের মারাত্মক অবনতি ঘটে। মানুষ এসময় ইসলামী জীবন ব্যবস্থার সঠিক রূপরেখা এবং ইসলামের তাত্ত্বিক ও দার্শনিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ সম্পর্কে অপরিচিত হয়ে পড়ছিল। মহানবী সা. ও তাঁর সাহাবীগণ অন্ধকার যুগকে ভেঙ্গে আল্লাহ প্রদত্ত যে জীবনবিধান এনেছিলেন, তাতে ক্রমেই মুসলমানদের বিচ্যুতি ঘটতে থাকে।

উপমহাদেশে একদিকে ইসলামের ব্যাপারে জ্ঞান-গবেষণার অভাব, অপরদিকে নিত্য নতুন ভ্রান্ত চিন্তাধারার উদ্ভব, স্বার্থদুষ্ট মুসলিম শাসকদের হাতে ইসলামের চ্যালেঞ্জ, ইসলামী আদর্শের খেলাপ সাধারণ মানুষের সামনে ইসলামের এক বিভ্রান্তকর চিত্র তুলে ধরেছিল। মোঘলদের আমলে এই অবস্থার আরো অবনতি হয়। সম্রাট আকবরের জিযিয়া কর প্রত্যাহার, ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতা, প্রাসাদে হিন্দু রমণীদের অস্থিত্ব, প্রাসাদের অভ্যন্তরে নানা ধর্মের উপাসনালয় নির্মাণ, আযান ও গরু যবাই নিষিদ্ধকরণ, দরবারের লোকদের পোশাক-পরিচ্ছদে হিন্দুয়ানী প্রভাব, ফতেহপুর সিক্রির মসজিদ ও শায়খ সলীম চিশতির সমাধিকে হিন্দু স্থাপত্যের প্রতীক হিসেবে নির্মাণ,মুসলিমদের মুখে দাঁড়ি বিলুপ্তসহ সর্বোপরি তার দ্বীনে ইলাহীর মাধ্যমে ইসলামের সাথে ধৃষ্টতা সমাজে বিরাট এক বিষফোঁড়া সৃষ্টি করে।

এ গেলো মুসলিম শাসকদের অবস্থা। এক শ্রেণীর বিকৃত ঈমান ও বিকৃত আমলের আলিমরাও যুক্ত ছিল এ ভাঙনের কাজে। ক্ষমতাসীনদের প্রতি দুর্বলতা, কাপুরুষতা এবং দীনের ব্যাপারে দায়িত্বহীনতা, সম্রাট আকবরকে ‘আল্লাহর ছায়া’, ‘ন্যায়পরায়ণ নেতা’, ‘যুগ ইমাম’, ‘তিনি সকল আনুগত্যের উর্ধ্বে’, ‘তার হুকুমই প্রযোজ্য’  প্রভৃতি আল্লাহর গুণে অভিহিত করে ফতোয়া জারি করেছিল এসব অসৎ আলিমরা। তার প্রতি সম্মানসূচক সিজদা করার পর্যন্ত ফতোয়া দিতে লজ্জাবোধ করেনি এরা।

এহেন পরিস্থিতি থেকে ইসলামের পুনরুজ্জীবন ঘটানো এবং বিভ্রান্তি ও বিপর্যয়ের হাত থেকে মুসলমানদের রক্ষা করাসহ, সর্বোপরি মুসলমানদের পুনর্জাগরনের পটভূমি রচনা করতে চেষ্টা করেন শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভি রহ.।

এই শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী ছিলেন একজন ভারতীয় মুসলিম স্কলার, ঐতিহাসিক, ধর্মতত্ত্ববিদ ও দার্শনিক। যার প্রকৃত নাম কুতুবুদ্দিন আহমেদ।মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব আলমগীর এর ইন্তেকালের চার বছর পূর্বে ১৭০৪ সালে। দার্শনিক দেহলভী তার জীবদ্দশায় দশজন মুঘল সম্রাটের যুগ প্রত্যক্ষ করেন। বংশ পরিচয়ে দেহলভী দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর রা. এর সাথে সম্পর্কিত।

সম্রাট আলমগীরের আমলেই ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য ভয়াবহ দুটি আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। একটি হলো মারাঠা আন্দোলন ; ভারতে হিন্দু সভ্যতা ও সংস্কৃতির নিরংকুশ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই ছিলো এদের লক্ষ্য। অপরটি হলো শিখ আন্দোলন; মুসলমানদের রক্ত নিয়ে হুলি খেলা ও শিশু-সন্তানদের নির্যাতন, এমনকি গর্ভবতী নারীদের পেট চিরে সন্তান বের করে বাবা-মায়ের সামনেই তাদের হত্যা করা প্রভৃতিই ছিল এদের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম। এবং এগুলো ছিল পাঞ্জাবকে ঘিরেই।

মুসলমানদের করুণ এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণে ভূমিকা রেখেছে শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভীর জ্ঞান-গবেষণা, চিন্তাধারা, সংস্কারমূলক ও গঠনমূলক কাজ এবং তাঁর তৈরী করা যোগ্য ও একনিষ্ট কর্মী বাহিনী। যাদের মধ্য থেকে তাঁর বড় সন্তান আব্দুল আযীয দেহলভী, পৌত্র শাহ ঈসমাইল শহীদ ও একনিষ্ট কর্মী সাইয়েদ আহমদ বেরলভীর নাম উল্লেখ না করলেই নয়।

শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী মনে করতেন, কেবলমাত্র রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দিয়ে একটি জাতিকে বাঁচিয়ে রাখা যায় না,যদিনা জীবনাদর্শের অন্তর্নিহিত শক্তি না থাকে। এক্ষেত্রে সাইয়েদ কুতুব শহীদের একটি কথা উল্লেখ না করলেই নয়, তিনি বলেছেন, “আমরা যখন জীবনধারণ করি কেবল নিজেদের জন্য, তখন আমাদের জীবনপরিধি হয়ে পড়ে খুবই ছোটো, সীমাবদ্ধ। সেই জীবনের সূচনা হয় আমাদের বোধবুদ্ধি হওয়ার সাথে সাথে আর তার ইতি ঘটে আমাদের সীমিত হায়াত শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে।

কিন্তু আমরা যখন অন্যের জন্য বাঁচি কিংবা ভিন্নভাবে বলতে গেলে আমরা যখন বেঁচে থাকি আদর্শের জন্য, তখন আমাদের জীবনপরিধি হয়ে ওঠে সুবিস্তৃত, সুবিশাল ও সুগভীর। সেই জীবনের সূচনা হয় মানবসভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে এবং তা প্রসারিত হতে থাকে নশ্বর এই দুনিয়া ছেড়ে যাওয়ার পরও।”

রাজতান্ত্রিক পরিবেশ ও সূফি ভাবধারার ক্রমবিকাশে মুসলমানদের মধ্যে এক ধারণা বদ্ধমূল ছিল যে, রাষ্ট্রীয় তথা রাজনীতি ও ধর্ম আলাদা জিনিস, ব্যক্তিগতভাবে ইসলামের কতিপয় বিধি-বিধান পালিত হলেই মানুষ পরকালে মুক্তি পাবে, আর রাজনীতি যারা দুনিয়াদার তারা করবে। শাহ দেহলভী এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি কঠোর আঘাত হানেন। তাঁর মতে, মানুষের পার্থিব ও পারলৌকিক উভয় জীবনের উন্নতি সাধনই নবুওয়তের মূল লক্ষ্য ছিল। কুরআন মাজিদে আমরা দেখতে পাই, যখনই কোন জাতির নৈতিক অবনতি ঘটেছে সেখানেই নবী-রাসূলদের আগমন ঘটেছে, আর তাঁদের দেখানো জীবনব্যবস্থায় সেই জাতির নৈতিক উন্নতির পাশাপাশি আর্থিক তথা জাগতিক উন্নিতও ঘটেছে।

তিনি আরোও  দুটি মৌলিক বিষয় নিয়ে সমালোচনা ও পর্যালোচনা করেন, যা মুসলমানদের আকীদা, বিশ্বাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, নৈতিকতা ও রাজনীতি সংমিশ্রিত। তার একটি হলো, রাসূলের শেখানো খিলাফাত থেকে রাজতান্ত্রিক হওয়া। শাসকগণ নিজে গিয়ে হজ্ব পালন করতেন না,বরং প্রতিনিধি প্রেরণ করতেন। অথচ হজ্ব কায়েম ইসলামে অপরিহার্য একটি বিষয়। তারা ছিল অগ্নিপূজকদের সরকারের মতো। পার্থক্য হলো, তারা নামায পড়ত আর মুখে কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করত এতটুকুই।

অপরটি হলো, ইজতিহাদের প্রাণ শক্তির মৃত্যু ও অন্ধ অনুকরণের আধিপত্য। নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও মুক্ত বিচারবুদ্ধি নিয়ে সমস্যার খোঁজ না করে অন্ধভাবে অপরকে অনুসরণ করত। আফসোস করে বলেছিলেন, “আমাদের যুগের সরল লোকেরা ইজতিহাদ বিমুখ। এদের নাকে উটের মতো রশি লাগানো। বেচারারা, কোন দিকে যাচ্ছে নিজেদেরই কোন খবর নেই।”

তিনি ইসলামের  যে খাঁটি তাসাউফ যাকে কুরআনের ভাষায় ‘তাযকিয়াতুন নফস’ বলা হয়েছে, তাকে বহিরাগত আবর্জনা থেকে মুক্ত করেছেন ও ইসলামের সৌন্দর্য রক্ষা করেছেন অযোগ্য পীর ও পীরজাদাদের কঠোর সমালোচনার মাধ্যমে।তিনি দেখিয়েছেন, কোন যোগ্যতা ছাড়াই যেসব পীরজাদা বাপ-দাদার গদীনশীন হয়ে পৃথক পৃথক দল গঠন করে, নিজেদের তরীকা মতো চালায়, প্রত্যেকে একেকজন ইমামে পরিণত হয়, মানুষকে নিজেদের দিকে আহ্বান করে, নিজেদেরকে হিদায়াত দানকারী মনে করে ও নিজেদের পার্থিব স্বার্থে নিজেদের হাতে বাইয়াত করায়।

শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী মুসলমানদের এমন পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ বহু বছর জ্ঞান-গবেষণা, চিন্তাধারার প্রকাশ, সন্তানদের যোগ্য করে গড়ে তোলা এবং একনিষ্ট শিষ্য

গঠন করার কিছুদিন পরেই পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। কিন্তু তার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলে যায়নি তার চিন্তাধারা ও আন্দোলনের বাসনা। যেটাকে তার সন্তান ও শিষ্যরা বাঁচিয়ে রেখেছে বহুকাল।

পরবর্তীতে বণিক বেশে আসা ইংরেজরা দেশের মালিক-মোখতার হয়ে গেল।আইন রচনার যাবতীয় ক্ষমতা চলে যায় তাদের হাতে। তাদের দ্বারা শুরু হয় মুসলমানদের উপর অত্যাচারের আরেকটি নতুন এপিসোড। তারা ধর্মীয় মূল্যবোধকে হরণ করেছিল। ইসলামের কিছু শাখা-প্রশাখায় অন্তরায় সৃষ্টি না করলেও মানবীয় মৌলিক অধিকার, বাক স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিল। তাদের এই অবিচারমূলক কাজের বিরুদ্ধে একটি বিপ্লব গড়ে উঠে, একটি আন্দোলন দানা বেধে উঠে। যেই বিপ্লবকে ইংরেজরা সিপাহী বিদ্রোহ বলে আখ্যায়িত করলেও মূলত এটা ছিল উপমহাদেশের প্রথম বলিষ্ঠ ও আযাদী আন্দোলন এবং অবিভক্ত ভারত থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করার ব্যাপারে প্রচন্ড আঘাত।

আর এই বিপ্লবের নায়ক ছিলেন শাহ ওয়ালীউল্লাহর গঠন করা সংগ্রামী কর্মীবাহিনী।

এই বিপ্লবের পর একস্থানে ২৮ হাজার মুসলমানকে ফাঁসি দেয়া হয়।

তারপরেও বীরেরা দমে যাননি। বিভিন্ন জায়গায় জায়গায় মাদ্রাসা প্রতিষ্টা এবং ধর্মীয় সেমিনারের মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির প্রচার ও মূল্যবোধ সৃষ্টির কাজকে টিকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যান। যার ফলশ্রুতিতে দারুল উলুম দেওবন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানসমূহ আমরা দেখতে পাই।

এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে ক্রমে ক্রমে ইসলামী জাগরণ মুসলমানদের মধ্যে সৃষ্টি হয়।

শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভির এই মহৎ কাজের সিলসিলা স্বরুপ জারি রাখেন তার বড় সন্তান আব্দুল আযীয দেহলভি। তিনি সপ্তাহে দু’বার মুসলমানদের মধ্যে ইসলামী আদর্শ, শিক্ষা-সংস্কৃতি প্রচারের জন্য সভা-সেমিনারের আয়োজন করতেন। তার এই আয়োজনের বিষয়বস্তু ছিল- খোদাভীতি ও আদর্শ জীবন গঠন, সমাজসেবা ও দুঃস্থ মানবতার প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি, বিলাসিতা পরিহার করে সহজ-সরল জীবন-যাপন, দুর্যোগ মুহুর্তে ধৈর্য ও সহনশীলতার অনুশীলন ও সমাজ বিধ্বংসী সকল অনাচার, কুসংস্কারকে দমন ইত্যাদি। তার এসব কর্মকান্ড দেখে স্থানীয় মুসলমানরা একটি ইসলামী প্রতিষ্ঠানের কথা ভাবলেন। আর ঐ ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটাই মূলত কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত হয়। মজার বিষয় হচ্ছে, পরবর্তীতে এই কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসাই ভারত-বাংলাদেশ ভাগের পর ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা হিসেবে রূপ নেয়। যা আমাদের বাংলাদেশের সরকারি মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

তাঁর পুরো জীবনে তিনি মৃত, ঘুমন্ত ও পথভ্রষ্ট জাতিকে লেখনীর বেত্রাঘাতে জীবন্ত ও জাগ্রত করে সঠিক পথে পরিচালনার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন।পরিশেষে, মুসলমানদেরকে অন্ধকার একটি মৃত্যুকূপ থেকে চেষ্টা সংগ্রামের মাধ্যমে আবার পুনরুজ্জীবিত করার এই মহৎ কাজে শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভির অবদান যে চিরস্মরণীয় তা স্বীকার করতেই হয়। তাই এসব মনীষীদেরকে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে পৌছিয়ে দেয়া আমাদের সকল মুসলমানের দায়িত্ব।

তথ্যসূত্র:

  • দার্শনিক শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভি ও তাঁর চিন্তাধারা – জুলফিকার আহমদ কিসমতি

  • বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস – আব্বাস আলী খান

  • ওহাবী আন্দোলন – আব্দুল মওদূদ

  • দ্যা ইন্ডিয়ান মুসলমান – ডব্লিউ ডব্লিউ হান্টার

মুহাম্মদ মারুফ আজিজ
ইসলামিক স্টাডিজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ই-মেইল  : marufaziz46@gmail.com
Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial