ঢাকাবুধবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

আমরা কি আদৌ ডিপপ্রেশড নাকি শুধুই ভণিতা

মৃধা প্রকাশনী
অক্টোবর ১৮, ২০২৩ ৩:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যান্ত্রিক এই শহরে মানুষ ছুটছে আপন গতিতে।এই ব্যস্ত নগরীতে শত ব্যস্ততা নিয়ে আমরা প্রত্যেকদিন পার করি,কতশত মানুষের সাথে প্রতিদিন‌ আমাদের কথা বলতে হয়।সবাই কতো কর্মঠ ,চঞ্চল, কিন্তু হঠাৎ যখন শুনি আমাদের চারপাশের এরকম কর্মঠ চঞ্চল ব্যাক্তিরাই আত্মহত্যা করছে,তখন একটা প্রশ্নই সর্বপ্রথম আমাদের মাথায় আসে, এতো হাসিখুশি ছেলে বা মেয়েটা কেনো এই কাজ করলো?

 

সকল আত্মহত্যার পেছনে যখন আমরা কারণ খুঁজতে যাই তখন একটা শব্দই বারংবার শুনতে পাই, সেটা হলো,”ডিপপ্রেশন” বা “হতাশা” ।স্বার্থপর এই নগরীতে বিভিন্ন কারনেই আমরা মানসিকভাবে বিষাদগ্রস্ত হই এবং প্রত্যেকটা দিনই আমাদেরকে লড়াই করে বাঁচতে হয় তাই ডিপপ্রেশন বা হতাশায় ভোগা আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়, কিন্তু সমস্যাটা হল যখন ডিপপ্রেশনে থাকাটাকে আমরা কুলনেস ভাবা শুরু করি এবং দৈনন্দিন জীবনের একটা অংশ বানিয়ে ফেলি। আমরা কি আদৌ ডিপপ্রেশড্ নাকি এটা ফলাও করে বলে অন্যের সিম্প্যাথি নিতে পছন্দ করি?

 

আমার কতিপয় বন্ধু-বান্ধবদের যখন প্রশ্ন করি, তোমরা কেন হতাশাগ্রস্থ?তখন তাঁরা উত্তর খুঁজে পায় না। অর্থাৎ তাঁরা কোনো কারণ ছাড়াই হতাশাগ্রস্থ।হাস্যকর নয় কি!! এভাবেই বর্তমানে হতাশাগ্রস্থ বা ডিপপ্রেশনে থাকাটাকে আমরা অতি সহজ বানিয়ে ফেলেছি এবং নিজেদেরকে আমরা আনন্দে রাখার চেয়ে ইচ্ছে করেই কষ্টে রাখতে ও বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি।এরই চরম পর্যায়ে গিয়ে আত্মহত্যার মাধ্যমে আমরা আমাদের হতাশার সমাপ্তি ঘটাচ্ছি।বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মাঝেই এর প্রবণতা বেশি।

 

আমরা কি পারি না, নিজেকে হতাশাগ্রস্থ,ডিপপ্রেশড্ না বলে‌ নিজেকে আনন্দ দেওয়ার মাধ্যম খুঁজে বের করতে? সৃষ্টিশীল কর্মের সাথে নিজেকে যুক্ত করতে? প্রকৃতি ও আপন সত্তার সাথে একান্ত সময় পার করতে?সর্বোপোরি নিজেকে হতাশাগ্রস্থ না বলে,এটা কি আমারা বলতে পারি না”, আমি খুশি নিজেকে নিয়ে।” তুচ্ছ বিষয়ে নিজের মূল্যবান জীবন ধ্বংস না করে,অতি তুচ্ছ আনন্দকেও‌ উদযাপন করুন। নিজেকে হতাশাগ্রস্থ প্রমান না করে ভাবুন‌ আপনি কতোটা সুখী ও ভাগ্যবান।

 

মেহরীন আক্তার নিপা

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি

বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial