ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ওয়ানডে পরিসংখ্যান!

জুবায়ের আহমেদ
সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের ১ম ম্যাচে আজ সফরকারী নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের পূর্বে এটি শেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ উভয় দলের। সঙ্গত কারনেই দুই দলের একাধিক তারকা ক্রিকেটার এবং নিয়মিত অধিনায়কেরা বিশ্রামে আছেন এই সিরিজে। দুই দলের একঝাক তারকা ক্রিকেটার না থাকলেও তরুণ ক্রিকেটার সহ দলে পুনরায় ফেরা অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজ।

আন্তর্জাতকি ক্রিকেটে বাংলাদেশের চেয়ে বেশ এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। তবে বাংলাদেশে খেলতে এসে ২০০৮ সালের পর আর ওয়ানডে সিরিজ জেতেনি কিউইরা। সর্বশেষ টি২০ সিরিজ খেলতে এসেও সিরিজ হেরে যেতে হয়েছে বø্যাক কাপসদের। তবে দুই দলের জয় পরাজয়ের পরিসংখ্যানে এখনো ঢের এগিয়ে নিউজিল্যান্ড।

১৯৯০ সালে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। তখন থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দুই দল ৩৮টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়। তম্মধ্যে নিউজিল্যান্ড জিতেছে ২৮ ম্যাচে এবং ১০ ম্যাচে জিতেছে বাংলাদেশ দল।

১৯৯০ সালের অস্ট্রাল এশিয়া কাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল প্রথম ম্যাচ খেললেও ২০০৪ সালে এসে প্রথমবারের মতো সিরিজ খেলে দুই দল। তখন থেকে দুই দল মোট ৯টি সিরিজ খেলে। তম্মধ্যে বাংলাদেশ জিতে ২টি সিরিজ এবং নিউজিল্যান্ড জিতে ৭টি সিরিজে। বাংলাদেশের জেতা ২টি সিরিজেই নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ। অপরদিকে পরাজয়ের ৭ সিরিজের মধ্যে ৬টিতে হোয়াইটওয়াশ জয় বাংলাদেশ। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের মাটিতে ২-১ ব্যবধানে হারা সিরিজে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছিল আশরাফুলের নেতৃত্বাধীন তারুণ্যনির্ভর বাংলাদেশ দল।

দলীয় সর্বোচ্চ ৩৪১/৭ সংগ্রহ নিউজিল্যান্ডের। নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ ৬টি সংগ্রহের পর ৭ম সর্বোচ্চ সংগ্রহ বাংলাদেশের। ২০১৩ সালে ৩০৯/৬ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এ ছাড়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আর কখনো তিনশত রান করতে পারেননি বাংলাদেশ।

দুই দলের ব্যাটারদের মধ্যে ২৫ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১০১০ রান করেছেন রস টেইলর। ২৬ ম্যাচে ২য় সর্বোচ্চ ৬৭৬ রান করেছেন মাহমদুল্লাহ রিয়াদ। ২৯ ম্যাচে ৩য় সর্বোচ্চ ৬৫৯ রান করেছেন মুশফিকুর রহিম। রিয়াদ, টেইলর সহ বেশ কয়েকজন ব্যাটার ২টি শতক পেলেও সর্বোচ্চ ৩টি শতক করেছেন মার্টিন গাপটিল। সর্বোচ্চ ৮টি ফিফটি টেইলরের।

বল হাতে ২২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৭ উইকেট শিকার করেন সাকিব আল হাসান। কাইল মিলস ১৭ ম্যাচে ৩৩ উইকেট, ভেট্টোরী ২০ ম্যাচে ৩১ ও রুবেল হোসেন মাত্র ১৪ বলে ২৫ উইকেট শিকার করেন। দুই দলের বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিং ফিগার রুবেল হোসেনের। মাত্র ২৬ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট শিকার করেন রুবেল। এছাড়া ৬৫ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন টিম সাউদি। ৭ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন ভেট্টোরী। এ ছাড়া আর কোন বোলার ৫ উইকেট পাননি।

উইকেটকিপারদের মধ্যে ২২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬টি ডিসমিসাল করেন ম্যাককলাম। ২৯ ম্যাচে ২য় সর্বোচ্চ ২২টি মুশফিকের।

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial