ঢাকাসোমবার , ৩১ জুলাই ২০২৩
  • অন্যান্য
  1. আইন
  2. ইতিহাস
  3. ইসলামী সঙ্গীতের লিরিক্স
  4. কবিতা
  5. কিংবদন্তী কবিদের কবিতা
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প
  9. চিঠিপত্র
  10. জনপ্রিয় বাংলা গানের লিরিক্স
  11. তারুণ্যের কথা
  12. ধর্ম
  13. প্রবন্ধ
  14. প্রযুক্তি
  15. ফিচার

বন্ধ হউক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন জট সৌন্দর্য

মৃধা প্রকাশনী
জুলাই ৩১, ২০২৩ ৭:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য হচ্ছে এর সেশন জ্যাম /জট! ভোলাভালা  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সেশন জট, লক্ষ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ভাঙতেও বেশ সক্ষম।কাগজে অনার্স ৪ বছর মেয়াদী লেখা থাকলেও তা শেষ করতে সময় নেয় এর দ্বিগুণ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার অধীনে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বেশ স্নেহ ও করে বটে, যেখানে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় কোর্স শেষ করে এক্সাম নিতে মরিয়া হয়, সেখানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এক্সাম না নিয়ে তার শিক্ষার্থীদের কাছে রাখতে চায় আর বলে, “আর ক টা দিন থেকে যা না, বাপু! তোদের মায়াতে জড়িয়ে গেছি যে!

অনার্স প্রোগ্রামে ভর্তির পর প্রথম বর্ষে খুব একটা বেগ পেতে হয় না, ১ বছর শেষে দিকেই পরীক্ষা নিয়ে নেওয়া হয়। দুর্ভোগ পোহানো শুরু হয় ২য় বর্ষ থেকে। পরীক্ষা কখন হয় বা হবে তা অনিশ্চিত।  ইচ্ছে হলেই পরীক্ষা হয়ে যায় স্থগিত।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা হচ্ছে দেশের আসল নাগরিক। কারণ, আমরাই দেশের যেকোনো সমস্যাতে পরীক্ষা না দিয়ে তীব্র আন্দোলন করি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ই মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র পরিবার থেকে আসে। তাদের দায়িত্ব হলো পড়া শেষে চাকরি পেয়ে পরিবারের দায়িত্ব বহন করা। সেশন জটের কারনে ৪ বছর ৭ বছর হয় তখন এসব শিক্ষার্থীদের হতাশা আর বয়স টাও কিন্তু বাড়ে! যেখানে ২৩ বছর বয়সে অনার্স শেষ হওয়ার কথা সেখানে হয় ২৭ বছরে। তারপর মাস্টার্স বয়স তখন অনেকের ৩০ ছুই ছুই। তারপর চাকরির প্রস্তুতি নিতে হয়। আর সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বয়স সীমা ৩০ বছর। হতাশা, দুশ্চিন্তা,অর্থ কষ্ট সব কিছুর স্টিমরোলার চলে শিক্ষার্থী গুলো র উপর।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থী ই মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স হয় নাই, পরিবার প্রাইভেটে পড়াতে পারবে না, তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ভর্তি হয়। হতাশ জাতীর একাংশের বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ভর্তির পর যখন নিজেকে মানিয়ে নিতে শুরু করে সেশন জট আবার সেই ভুলতে থাকা হতাশা কে চাংগা করে দেয়।
একপাক্ষিক দোষ দেবো না, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কে! জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমাবদ্ধতা আছে তা স্বীকার করি।আপনারা সেশন জট ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনবেন। অনুরোধ থাকবে যে, নামে যেমন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, কাজ এবং শিক্ষার মান ও যেনো জাতীয় পর্যায়ের করা যায়, সেসব দিক উন্নয়নে আপনারা কাজ করবেন।

শিক্ষা হোক আনন্দদায়ক! আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন জট দূর হোক।  সেশন জট বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।

আয়েশা রাখি,

শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
welftion.help@gmail.com

Please follow and like us:

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial